
Holi History In Vrindavan Mathura: সারা দেশে হোলি একটি দিন পালিত হলেও মথুরার রীতি রেওয়াজ আলাদা। বৃন্দাবন ও মথুরা শ্রীকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্র। তাই হোলি বিশেষভাবে পালিত হয় এই দুই অঞ্চলে। বসন্ত পঞ্চমী অর্থাৎ সরস্বতী পুজো কাটলেই মথুরায় শুরু হয়ে যায় হোলি। গোটা দেশে যেদিন হোলি তার ৪০ দিন আগে থেকে। মথুরার হোলিতে অন্যতম আকর্ষণ ভারতবিখ্যাত বাঁকে বিহারী মন্দির। এই মন্দিরে বিভিন্ন রঙের পাত্র তৈরি করা হয়। সেগুলিতে রং ভরে প্রথমে ভগবানের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা হয়। এর পর শুরু হয় হোলি খেলা।
দ্বাপর যুগের ঐতিহ্য
হোলি খেলার এই ঐতিহ্য দ্বাপর যুগ থেকেই প্রচলিত। রাধার জন্মস্থান বারসানা। সেখানে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ হোলি উদযাপিত হয় প্রতি বছর। কথিত আছে, নন্দ গ্রামের গোপাল কৃষ্ণের ছদ্মবেশ নিয়ে বারসানা গিয়েছিলেন। এই গ্রামে প্রথমে রাধাকে হোলি খেলার আমন্ত্রণ জানানো হয়। মন্দির পরিষেবা পাওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করে। বারসানার হোলি লাড্ডুমার হোলি নামে পরিচিত। কারণ এই দিন ভক্তদের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয়।
হলুদ পোশাকে বাঁকে বিহারী
বসন্ত পঞ্চমী থেকেই শুরু হয় হোলি খেলা। তাই হলুদ পোশাকে বাঁকে বিহারীকে সাজানো হয়। পাশাপাশি হলুদের আভা ছড়িয়ে পড়ে গোটা মন্দিরেও। হলুদ বেলুনে সাজিয়ে ফেলা হয় মন্দির চত্ত্বর।
যেদিন যেদিন হোলি খেলা
- এই বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকেই মন্দিরে হোলি খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে।
- ২ ফেব্রুয়ারি মথুরার বারসানার রাধারানি মন্দিরে প্রথমে হোলি খেলার আমন্ত্রণ জানানো দিয়ে শুরু হয়েছে খেলা।
- এর পর ৩ ফেব্রুয়ারি বৃন্দাবন বাঁকে বিহারী মন্দিরে।
- এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি রাধারানির মন্দিরে প্রথম চৌপাই।
- ৭ মার্চ – বারসানাতে লাড্ডুমার হোলি
- ৮ মার্চ – বারসানায় লাঠমার হোলি
- ৯ মার্চ – নন্দ গ্রামে লাঠমার হোলি
- ১০ মার্চ – বাঁকে বিহারী মন্দির ও শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি মন্দিরে রংভরনি হোলি
- ১১ মার্চ – মথুরা দ্বারকাধীশ মন্দিরে হোলি, গোকূল রমনরেতি আশ্রমে হোলি,
- ১২ মার্চ – বৃন্দাবন বাঁকে বিহারী মন্দিরে হোলি
- ১৩ মার্চ – চতুর্বেদী সমাজে হোলি
- ১৪ মার্চ – সারা দেশে হোলি
- ১৫ মার্চ – বলদেবের হুরাঙ্গা
- ২২ মার্চ – বৃন্দাবনে হোলি
(Feed Source: hindustantimes.com)