
অনেকে আবার বন্ধুদেরও বাইকে চাপিয়ে নিয়ে যান। তবে হোলির দিন বন্ধুদের সঙ্গে বাইকে চেপে যদি কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে কয়েকটি ভুল এড়িয়ে চলতেই হবে। নাহলে নিজের বাইকটির জন্য কিন্তু গুনতে হবে প্রচুর জরিমানা।
নেশা করে গাড়ি চালানো:
হোলির আনন্দে মেতে ওঠার জন্য অনেকেই মদ্যপান করেন। আর মদ্যপান করে গাড়ি কিংবা বাইক চালানো কিন্তু আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। শুধু তা-ই নয়, এভাবে গাড়ি চালালে আশপাশে চলা গাড়ি কিংবা বাইকের আরোহীরাও বিপদে পড়তে পারেন।
হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো:
বাইক অথবা স্কুটার – যা-ই চালান না কেন, হেলমেট পরা কিন্তু আবশ্যক। সেটা অবশ্যই নিজের সুরক্ষার জন্য। শুধু তা-ই নয়, হোলির দিন অনেকেই মজা করার জন্য পথচলতি মানুষের উপর রঙ ছোড়ে। আর বাইক বা স্কুটারে যাওয়ার সময় সেই রঙ থেকে বাঁচার জন্য গাড়ির গতি বাড়াতে হয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়।
ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘন:
হোলি তো অন্যতম বড় উৎসব। আর এই দিনে যানবাহন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ডিউটিরত ট্র্যাফিক পুলিশরা আরও সতর্ক থাকে। তাই কোনও রকম ট্র্যাফিক আইন ভাঙলে কিন্তু বড়সড় শাস্তির মুখে পড়তে হবে। যেমন – দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না। সেই সঙ্গে ট্র্যাফিক সিগন্যাল ভাঙা কিংবা ভুল দিক দিয়ে গাড়ি চালানো চলবে না।
একটি বাইকে দুইয়ের বেশি আরোহী:
হোলির দিন মজা করার জন্য অনেকেই বাইকে বেরিয়ে পড়েন। সঙ্গে আরও তিন বা চার জন বন্ধুকে একটি বাইকে চাপিয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়ান। এটা শুধু বিপজ্জনকই নয়, সেই সঙ্গে এটি ট্র্যাফিক নিয়মের লঙ্ঘনও বটে!
বাইক বা গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার নয়:
অনেকেই বাইক চালাতে চালাতে মোবাইল ফোনে কথা বলেন, এমনকী মেসেজও করেন। এর ফলে অন্যমনস্ক হয়ে পড়তে পারেন চালক। যার জেরে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ারও আশঙ্কা থেকে যায়।
