
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নেপথ্যে সেই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী তরুণরাই! বাংলাদেশে আসছে আরও একটি রাজনৈতিক দল। ফেসবুকে পোস্টে জাতীয় নাগরিক কমিটির সাবেক নেতা মোহাম্মদ হিযবুল্লাহ লিখেছেন, ‘গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী তরুণদের সাথে আলাপ, পরামর্শ এবং তাদের সম্মিলনে আমরা একটা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের দিকে এগোচ্ছি’।
বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নামে দুটি সংগঠন গড়ে উঠে। সেই দুই কমিটির উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ করেছে একটি রাজনৈতিক দল। নাম, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশে ভারত ও পাকিস্তানপন্থী রাজনীতির ঠাঁই হবে না। আমরা বাংলাদেশকে সামনে রেখে, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে বির্নিমাণ করব’।
এই নয়া রাজনৈতিক দলের ভিত্তি রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ও ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধ। হিযবুল্লাহ বলেন, এই ব-দ্বীপের তহজিব-তমুদ্দুনকে আঁকড়ে ধরেই আমরা নতুন রাজনীতি বিনির্মাণ করবো ইনশাআল্লাহ। তাঁর কথায়, ‘আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে চাঁদাবাজি-দুর্নীতি নির্ভর যেই পলিটিক্যাল ইকোনমি, আমরা তারে পরিবর্তন করতে চাই। পেশিশক্তি নির্ভর যেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যেখানে মানুষের গুরুত্ব স্রেফ মিছিলে মাথা গোনা, আমরা এর পরিবর্তে রাজনীতিতে সম্মান ও শরিকানা হাজির করতে চাই। দলের ভিতরে আভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চাকে জারি রাখতে চাই’।
হিযবুল্লাহ বলেন, ‘ভারতীয় আগ্রাসন ও আঞ্চলিক আধিপত্যবাদ বিরোধী বলিষ্ঠ রাজনীতি হাজির করতে চাই আমরা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা এবং এই ব-দ্বীপের অধিবাসীদের অর্থনৈতিক আজাদির নিশ্চয়তা ও সুরক্ষা বিধান-ই হবে আমাদের অন্যতম রাজনৈতিক লক্ষ্য। ফেসবুকে পোস্টের শেষে লিখেছেন, ‘নারীর হক, মর্যাদা আর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে আমাদের রাজনীতির মূলমন্ত্র। বাংলাদেশ হবে নারীদের জন্য আমান ও সুকুনের রাষ্ট্র— এইটা হবে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সর্বত্র ন্যায়-নীতি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হবে আমাদের মাকসাদ’।
(Feed Source: zeenews.com)
