Arrest: সোনা পাচার মামলায় গ্রেফতার রানিয়ার দীর্ঘদিনের সহযোগী রাজু, অভিনয়ও করেছিলেন তেলেগু ছবিতেও

Arrest: সোনা পাচার মামলায় গ্রেফতার রানিয়ার দীর্ঘদিনের সহযোগী রাজু, অভিনয়ও করেছিলেন তেলেগু ছবিতেও

তদন্তে জানা গিয়েছে, গত ৬ মাসে ২৭ বার দুবাই যান রানিয়া। রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকদের দাবি, রানিয়া শুধু রানিয়া শুধু বাহক নন, সোনা পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্যও। রাজুও এই চক্রের অন্যতম একজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

বেঙ্গালুরু: সোনা পাচার মামলায় গ্রেফতার রানিয়া রাওয়ের সহযোগী তরুণ কোন্দ্রু রাজু। ৩০ বছর বয়সী রাজুও অভিনেতা। ২০১৮ সালে একটি তেলেগু ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। রানিয়ার গ্রেফতারির ৬ দিনের মাথায় রাজুকে আটক করেন গোয়েন্দা রাজস্ব দফতরের আধিকারিকরা।

রাজু বেঙ্গালুরুর বিখ্যাত ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। হসপিটিলিটি ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের ব্যাপক বিনিয়োগ রয়েছে। রানিয়া রাওকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় রাজুর নাম উঠে আসে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ডিআরআই। শেষ পর্যন্ত ৯ মার্চ রাজুকে আটক করা হয়। প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাওকে। তাঁর কাছ থেকে ১৪.২ কিলো সোনার বার উদ্ধার হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ১২.৫৬ কোটি টাকা। রানিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও বিপুল সোনা ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

কর্ণাটক পুলিশ সূত্রে খবর, তেলেগু ইন্ডাস্ট্রিতে রাজু ‘বিরাট কোন্দ্রু’ নামে পরিচিত। তিনি অন্ধ্রের এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর নাতি। হসপিটালিটি সেক্টর ছাড়াও জ্বালানি, কেবল টিভি এবং এডুকেশন সেক্টরেও ব্যবসা রয়েছে রাজুর পরিবারের। তেলেগু ছবি ‘পরিচয়ম’-এর হাত ধরে রূপালি পর্দায় পা রেখেছিলেন রাজু। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি। ছবিও চলেনি। ছবি মুক্তির আগে একাধিক সাক্ষাৎকারে রাজু জানিয়েছিলেন, সিনেমাই তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। তবে তাঁর পরিবার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

রানিয়ার মোবাইল ও ল্যাপটপ বিশ্লেষণ করেই রাজুর খোঁজ পান রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের অফিসাররা। তাঁদের দাবি, রাজু সোনা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত। আদালতেও এইসব তথ্যপ্রমাণ পেশ করেছে ডিআরআই। রানিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় রাজুর। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান যে, তাঁরা দু’জনে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একটি কোম্পানির ব্যবসায়িক অংশীদার। বিভিন্ন সময়ে ভ্রমণের জন্য রানিয়া তাঁকে টাকা দিতেন বলেও তদন্তকারী অফিসারদের জানিয়েছেন রাজু। শুধু তাই নয়, তাঁরা আগে আফ্রিকা থেকে সোনা আনার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

জানা গিয়েছে, রাজু মার্চের শুরুর দিকে দুবাই গিয়েছিলেন। সেই সময় রানিয়াও দুবাই যান। রানিয়া রাও ওরফে হর্ষবর্ধন রানিয়া কর্ণাটকের এক সিনিয়র আইপিএস অফিসারের সৎ মেয়ে। অভিযোগ, তিনি সোনা পাচারের জন্য বিমানবন্দরের ভিআইপি চ্যানেল ব্যবহার করতেন। মার্চের শুরুর দিকে ধরা পড়ে যান। তদন্তে জানা গিয়েছে, গত ৬ মাসে ২৭ বার দুবাই যান রানিয়া। রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকদের দাবি, রানিয়া শুধু রানিয়া শুধু বাহক নন, সোনা পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্যও। রাজুও এই চক্রের অন্যতম একজন বলে মনে করছেন তাঁরা।