
প্রধান বিচারপতি জানালেন, ‘‘কনস্টিটিউশনে উল্লেখ করা রয়েছে, কাউন্সিল অফ মিনিস্টার্সদের দ্বারা নেওয়া সিদ্ধান্ত যার উপর রাজ্যপালের শীলমোহর রয়েছে, তার উপর কোনও কোর্টে তদন্ত হতে পারে না। আমরা অতিরিক্ত শূন্যপদ বা সুপার নিউমোর্যারি পোস্ট নিয়ে সিবিআই তদন্তের বিষয় খারিজ করছি।’’
সুপারনিউম্যারিক পোস্ট তৈরি করার বিষয়ে প্রধানবিচারপতি জানালেন, ‘‘সুপারনিউম্যারিক পোস্ট তৈরি করা নিয়ে সিবিআই তদন্ত হবে কিনা, সেটা নিয়ে ৩ এপ্রিল আমরা রায়ে শুনানির কথা উল্লেখ করেছিলাম। এটা গ্রহণ করা হচ্ছে। রিট পিটিশনে উল্লেখ করা ছিল ২০২২ সালে যে ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার পর ১৯.৫.২২ যে একটি নির্দেশ জারি করা হয়েছিল, তার উপর সিবিআই তদন্ত করা হবে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। ৫.৫.২২ সালে ক্যাবিনেটের নোটে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছিল এসএসসির মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগ করা হয়েছে। আমরা মনে করছি হাইকোর্ট জাস্টিফায়েড ছিল না সুপার নিউমোরারি পোস্ট তৈরি করা নিয়ে সিবিআই তদন্ত দেওয়ার ব্যাপারে।’’মেনশনিং প্রক্রিয়ার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি মানা হচ্ছে না বলেও জানিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি।
কবে এই মামলার শুনানি হবে তা স্পষ্ট করে জানালেন না প্রধান বিচারপতি।
সিজেআই সঞ্জীব খন্না জানালেন, ‘‘আমরা সাধারণভাবে ক্যাবিনেট সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করি না।
ক্যাবিনেট যদি মনে করে থাকে, কোনও মেরিট দেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তাতে আমরা খুব একটা হস্তক্ষেপ করতে রাজি নই। কারণ, ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারপর রাজ্যপাল তার উপর নিজের শীলমোহর দিয়েছে।’’
আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য জানান, ‘‘এসএসসির তরফে এই সুপার নিউম্যারিক পোস্টের পদক্ষেপ ইনিশিয়েট করে।’’ এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি জানান, ‘‘ক্যাবিনেটের এক্তিয়ার আছে রুল জারি করার।’’
সিজেআই- ক্যাবিনেটের এক্তিয়ার আছে রুল জারি করার।
আইনজীবী— সিঙ্গল জাজের সামনে উপস্থিত হয়ে সচিব স্বীকার করেছেন, ক্যাবিনেট নোট দেখুন। বেআইনি নিযুক্তদের সুযোগ দেওয়ার জন্য সুপার নিউম্যারারি পোস্ট তৈরি হয়েছে।
সিজেআই— আপনারা কী বলছেন একটা ক্যাবিনেটের নেওয়া সিদ্ধান্তর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত হবে? ফেডারিলজমের বিষয় বুঝছেন? আপনারা দেখুন, ক্যাবিনেট নিজের সিদ্ধান্তে রিট পিটিশনের কথা উল্লেখ করেছে।
আইনজীবী— এফিডেফিটে বলা আছে, অবৈধদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিজেআই— আপনারা ভুল বলছেন। ক্যাবিনেট সিদ্ধান্তর ৪ নং প্যারা পড়ুন।
সিজেআই— তাঁরা অস্বীকার করছেন না। ক্যাবিনেট কী অবজেকটিভ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা দেখুন।
আইনজীবী কপিল সিব্বল— কোনও নিয়োগ করাই হয়নি, ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে
