
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: হার্ভাডের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর এবার চরম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) প্রশাসন সতর্ক করে দিয়েছে যে হার্ভার্ড আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আতিথেয়তা দেওয়ার ক্ষমতা হারাতে পারে। হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি ছাত্রদের পড়ার অনুমোদন দেওয়া হবে না! আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে এরকমই হুঁশিয়ারি দিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে (Harvard university)।
এর আগে হার্ভার্ড এবং ট্রাম্পের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের মধ্যে ক্যাম্পাসে ছাত্র সক্রিয়তা এবং কথিত ইহুদি-বিদ্বেষের সমর্থনের জন্য ‘রসিক বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপরই আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি জানিয়েছে, বিদেশি ছাত্রদের নথিভুক্ত করতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন হারাবে। কিছু ভিসার বিষয়ে তথ্য না দিলে এই পরিণতি হবে। সরকারের এই পদক্ষেপ বিশ্ববিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে।
ক্রিস্টি নোম আরও ঘোষণা করেন, হার্ভার্ডের জন্য বরাদ্দকৃত হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মোট ২৭ লাখ ডলারের দুটি অনুদান বাতিল করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই কর্মকর্তা বলেন, তিনি হার্ভার্ডকে একটি চিঠি পাঠিয়ে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে কিছু বিদেশি শিক্ষার্থীর ‘অবৈধ ও সহিংস কার্যকলাপের’ রেকর্ড চেয়েছেন। হার্ভার্ড যদি দেখাতে না পারে যে তারা সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সঠিকভাবে দিচ্ছে ও নিয়ম মানছে, তবে তারা বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করার সুবিধা হারাবে।’
“No government—regardless of which party is in power—should dictate what private universities can teach, whom they can admit and hire, and which areas of study and inquiry they can pursue.” – President Alan Garber https://t.co/6cQQpcJVTd
— Harvard University (@Harvard) April 14, 2025
ডিএইচএস তার চিঠিতে হার্ভার্ডকে নিম্নলিখিত তথ্য দিতে বলেছে:
> যারা ভিসাধারী, যারা অন্যান্য ছাত্র বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীদের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে পরিচিত।
> যারা স্কুলের শিক্ষার পরিবেশে বাধা সৃষ্টি করে
> যারা অন্যান্য ছাত্র বা জনগোষ্ঠীকে হুমকি দিয়েছে বা প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।
এদিকে গাজায় হামাস জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধের পর ইহুদি-বিদ্বেষমূলক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, ডিএইচএস হার্ভার্ডকে ইহুদি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিকূল শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করার জন্য অভিযুক্ত করেছে। হার্ভাডের তরফে স্পষ্ট বক্তব্য, ‘যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, বেসরকারি ইউনিভার্সিটিতে কী পড়ানো হবে, কাকে ভর্তি নেওয়া হবে, কাকে নিয়োগ করা হবে, কী কী বিষয় থাকবে, তা কোনও সরকার ঠিক করে দিতে পারে না’। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও ফের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আইন মেনে চলা হবে। তবে স্বাধীনতার আত্মসমর্পণ করে নয়। সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করে নয়।
(Feed Source: zeenews.com)
