
Pakistan Pahalgam Terror Attack: জানা গিয়েছে যে সম্প্রতি পাকিস্তান সামরিক প্রশাসন তাদের সকল সেনার ছুটি বাতিল করেছে। এর পাশাপাশি, বেলুচিস্তান এবং আফগানিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করা ১১ কর্পস এবং ১২ কর্পস কমান্ডারদের ভারত-পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে ১০ কর্পস কমান্ডারের অধীনে তাদের পক্ষ থেকে বিপুল সংখ্যক সামরিক কর্মী পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Report: Om Prakash Tiwari: পরিস্থিতি যে হেলাফেলার নয়, সে কথা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল উরি, পুলওয়ামা কাণ্ড থেকেই। ভারত তবু শান্তি রক্ষার প্রয়াস চালিয়েছে মানবতার স্বার্থে। কঠোর পদক্ষেপও নিয়েছে একই সঙ্গেষ কিন্তু, এবার জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে পর্যটকের উপরে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিণাম ক্রমশই জটিল রূপ ধারণ করছে। ইতিম্যেই প্রত্যুত্তরে কাশ্মীরের নানা জায়গায় চলছে সেনার তল্লাশি ও ঘেরাও অভিযান। সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে চলছে গুলির লড়াই। কূটনৈতিক স্তরে ভারতের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আটারি ওয়াঘা সীমান্ত, স্থগিত রাখা হয়েছে সিন্ধু জল চুক্তি। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, পাকিস্তান তাতে আতঙ্কিত। এলওসি ধরে গুলি চালানো, সব সেনার ছুটি বাতিল করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
জানা গিয়েছে যে সম্প্রতি পাকিস্তান সামরিক প্রশাসন তাদের সকল সেনার ছুটি বাতিল করেছে। এর পাশাপাশি, বেলুচিস্তান এবং আফগানিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করা ১১ কর্পস এবং ১২ কর্পস কমান্ডারদের ভারত-পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে ১০ কর্পস কমান্ডারের অধীনে তাদের পক্ষ থেকে বিপুল সংখ্যক সামরিক কর্মী পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর পাকিস্তান এখন ভয় পাচ্ছে যে ভারত কোনও বড় পদক্ষেপ নিতে পারে। এই কারণেই তারা আফগানিস্তান সীমান্ত এবং বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলায় দক্ষ সামরিক কর্মীদের ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ফিরিয়ে ডেকেছে। ভারত থেকে কোনও অনুপ্রবেশ না হওয়ায় এখনও পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে খুব বেশি সৈন্য মোতায়েন করা হয়নি। তার দরকারও পড়েনি। ভারত এমন কোনও গুলিবর্ষণে লিপ্ত হয় না যার ফলে পাকিস্তান সীমান্তে বিপুল সংখ্যক সামরিক কর্মী মোতায়েন করতে বাধ্য হয়।
ভারতের শান্তির কথা মাথায় রেখে পাকিস্তান তার বেশিরভাগ সৈন্য আফগানিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করেছিল। কারণ আফগানিস্তান সীমান্তে প্রতিদিনই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এর পাশাপাশি, তালিবানরা আফগান সীমান্তের কোথাও কোথাও নির্মাণ কাজও চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে, অধিক সংখ্যক সেনা মোতায়েন করাতেই বিষয়টা শেষ হয়ে যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পাকসেনা ছুটি পাবে না। সামরিক প্রশাসন তাদের সকল সামরিক কর্মীর ছুটি বাতিল করেছে। একই সঙ্গে, কর্পস কমান্ডারদেরও বলে দেওয়া দেওয়া হয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগামী দিনগুলিতে সামরিক কর্মীদের কোনও ছুটি দেওয়া চলবে না। এবার দেখার বিষয় এখানেই শেষ হয় না জের চলতেই থাকে!
(Feed Source: news18.com)
