Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় মেগা ট্যুইস্ট, ২১ হাজার কোটি টাকার হেরোইন, গুজরাতের ড্রাগই মারত্মক জঙ্গিহানার ব্লু প্রিন্ট তৈরি করল, চাঞ্চল্যকর দাবি NIA-র

Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় মেগা ট্যুইস্ট, ২১ হাজার কোটি টাকার হেরোইন, গুজরাতের ড্রাগই মারত্মক জঙ্গিহানার ব্লু প্রিন্ট তৈরি করল, চাঞ্চল্যকর দাবি  NIA-র

Pahalgam Terror Attack: আফগানিস্তানে থাকা মাদক পাচারকারীরা পাকিস্তানের আইএসআই এবং ইরানি মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় ২,৯৮৮.২ কেজি হেরোইনের একটি বিশাল চালান ভারতে পাঠিয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলার নেপথ্যের ষড়যন্ত্রটি খুব গভীর ও মারাত্মক বলে মনে করা হচ্ছে। কাশ্মীরের এই সাম্প্রতিকতম জঙ্গিহানার ঘটনার শিকড় গুজরাতের সঙ্গে জড়িত বলে সংযুক্ত বলে মনে হচ্ছে। সম্প্রতি গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দর থেকে ২১ হাজার কোটি টাকার হেরোইন বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই মামলার তদন্তকারী এনআইএ সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে এই বাজেয়াপ্ত হওয়া হেরোইন পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত৷

পহেলগাঁও হামলায় ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এনআইএ-এর মতে, এই সবই ছিল একটি বৃহত্তর মাদক চোরাচালান ষড়যন্ত্রের অংশ, যার লক্ষ্য ছিল জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা এবং ভারতের যুবসমাজকে মাদকাসক্তির দিকে ঠেলে দিয়ে দেশকে ভিতর থেকে একবারে খোখলা করে দেওয়া৷
একটি সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি এন. কোটিশ্বর সিং-এর বেঞ্চকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি – বলেন যে, পহেলগাঁওকে নিরীহ পর্যটকদের উপর গুলি চালানোর মতো ঘটনা এই বিশাল ষড়যন্ত্রের অংশ।
তিনি বলেন, এর আগেও বৈধ কাগজপত্র সহ ট্যালক পাউডারের নামে আফগানিস্তান থেকে ভারতে মাদকদ্রব্য আনা হয়েছিল।  এই  দিল্লির নেব সরাই এবং আলিপুরের গুদামে রাখা হত। এই মাদক বিক্রির থেকে প্রাপ্ত টাকা সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের জন্য লস্কর-ই-তইবার কাছে পাঠানো হয়েছিল। এনআইএ আরও অভিযোগ করেছে যে কবীর তলোয়ার এই মাদক সিন্ডিকেটের অংশ ছিলেন এবং এই অবৈধ ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন।
এনআইএ হলফনামা
এনআইএ তাদের হলফনামায় বলেছে যে আফগানিস্তানে থাকা মাদক পাচারকারীরা পাকিস্তানের আইএসআই এবং ইরানি মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় ২,৯৮৮.২ কেজি হেরোইনের একটি বিশাল চালান ভারতে পাঠিয়েছে। এই চালানের মূল্য ছিল ২১,০০০ কোটি টাকা। চালানটি আফগানিস্তান থেকে ইরান হয়ে ভারতে আনা হয়েছিল এবং এই বিশাল পরিমাণ নেশার বস্তু ছিল ট্যালক পাউডারের রূপে৷  এনআইএ-এর মতে, এই মাদক বিক্রি থেকে অর্জিত অর্থ সন্ত্রাসবাদের অর্থায়নে ব্যবহার করার কথা ছিল।
(Feed Source: news18.com)