
রাজীব চক্রবর্তী: পহেলগাঁও হামলার পর ভারত যেভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছক কষছে তাতেই কি দিশেহারা পাকিস্তান? সিন্ধুর জলচুক্তি স্থগিত করা হয়েছে, পাকিস্তানি নাগরিকদের ভারত ছাড়তে বলা হয়েছে, সার্ক ভিসা বাতিল করা হয়েছে, পাশাপাশি শুরু হয়েছে সীমান্তে সেনা মহড়া। এতেই ঘুম ছুটেছে পকিস্তানের। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান সেনা বাহিনীতে শুরু হয়েছে গণ ইস্তফা। ৪৮ ঘণ্টায় ইস্তফা দিয়েছেন ২৫০ সেনা অফিসার। সবেমিলিয়ে বাহিনী ছাড়ছেন ১২০০ জওয়ান। এক পাক সেনাকর্তার এরকমই এক চিঠি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

পাকিস্তানের এক লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওমর আহমেদ বুখারি একটি চিঠি লিখেছেন সেনাপ্রধান আসিম মুনীরকে। সেখানে তিনি লিখেছেন ২৫০ জন সেনা অফিসার ইস্তফা দিয়েছেন, ১২০০ জওয়ান ইস্তফা দিয়েছেন। কেন ইস্তফা দিয়েছেন সেটাই এক্ষেত্রে বড় বিষয়। তারা ইস্তফা দিয়েছেন কারণ তারা ভয় পাচ্ছেন। তাই এই ইস্তফার হিড়িক। তারা কেউ লড়াইয়ে যেতে চান না। ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ে যে তাদের নাস্তানাবুদ হতে হবে তা বুঝে গিয়েছে পাকিস্তান। তাই এই গণইস্তফা এমনটাই মনে করছে বিভিন্ন মহল।

হামলার পরপরই একের পর এক গরম গরম কথা বলছেন পাক প্রধানমন্ত্রী-সহ একাধিক মন্ত্রী। তার মধ্যেই এই ঘটনায় স্পষ্ট যে তারা সবাই এখন ফাঁকা আওয়াজ দিচ্ছেন। কারণ তারা ময়দানে নেমে লড়াই করবেন না। লড়াই করবে সেনা। তারাই এখন পিছিয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় সেনা এখন ১৯৪৭ এর সেনা নয়, ২০২৫ সালের সেনা। ফলে তাকেই ভয় পাচ্ছে পাকিস্তান।
এদিকে, পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনীরের খোঁজ নিয়ে একটা জল্পনা তৈরি হয়েছে। পহেলগাম হামলার পরপরই তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনই একটা খবর রটেছে। এরপরই পাক প্রধানমন্ত্রী সেনাপ্রধানের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে জল্পনা থামানোর চেষ্টা করেন। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বলেছেন ওই ছবি অনেক পুরনো।
পাক সেনায় গণ ইস্তফা নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্তা কর্ণেল বাবুল চন্দ বলেন, এই খবরটা এখনব ঠিক বলেই মনে হচ্ছে। কারণ বালোচিস্তানে যখন হামলা হয়েছিল তখনও এরকম একটা খবর রটেছিল যে অনেকে ইস্তফা দিয়ে চলে যাচ্ছেন। এখন তারা বুঝতে পারছে ভারতের সঙ্গে যদি যুদ্ধ লাগে তাহলে পাকিস্তানটাই দুভাগ হয়ে যাবে। এমনটাই আমার মনে হচ্ছে। এক্ষেত্রে কোর কমান্ডার লেভেলে সমস্যা হচ্ছে । আর সেটা তারা উপরের লেভেলে জানাচ্ছে।
(Feed Source: zeenews.com)
