
রসাল এই ফলটির গন্ধ বের হলে তা অগ্রাহ্য করার ক্ষমতা মানুষের নেই। তাহলে হাতির কী দোষ? ভাবুন তো, আপনি রাস্তা দিয়ে চলছেন। এমন সময় আপনার নাকে এলো কাঁঠালের গন্ধ।
কাঁঠাল গাছ
আলিপুরদুয়ার: রসালো এই ফলটির গন্ধ বের হলে তা অগ্রাহ্য করার ক্ষমতা মানুষের নেই। তাহলে হাতির কী দোষ? ভাবুন তো, আপনি রাস্তা দিয়ে চলছেন। এমন সময় আপনার নাকে এলো কাঁঠালের গন্ধ। লোভ সামলানো কী সহজ? ইচ্ছে তো হয় কাঁঠাল পেড়ে খাওয়ার। কাঁঠালের গন্ধ পেয়ে গজরাজেরা সেই কাজ করছে। গ্রামে প্রবেশ করেই তাঁদের টার্গেট কাঁঠাল। যারফলে বাড়িঘর ভাঙা পড়ছে এলাকাবাসীদের।
বাধ্য হয়ে গুদামডাবড়ি এলাকার বাসিন্দারা অনেকেই কেটে দিচ্ছেন কাঁঠাল গাছ। রোজ গ্ৰামে প্রবেশ করছে হাতি। কাঁঠাল খেতে সন্ধ্যার পর গ্ৰামে হাতি আসছে। কাঁঠাল গাছের নাগাল না পেলেই ঘরবাড়ি ভাঙচুর করছে। বাড়ছে জীবন রক্ষার তাগিদ।
কাঁঠাল পাকলে পরে তা নামিয়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দেন এলাকাবাসীরা। প্রতিবছর এই কাজ করেন তারা। হাতির হানা এবার প্রথম তা নয়। তবে এতো বেশি পরিমাণে হাতির হানা আগে দেখেননি এলাকাবাসীরা।
রিতেশ মিঞ্জ নামের এলাকার এক বাসিন্দা জানান, “আমাদের এলাকায় হাতির হানা বক্সা জঙ্গল থেকে যেমন হয় তেমন জলদাপাড়া জঙ্গল থেকেও হয়। কোন হাতি কোন জঙ্গল থেকে এলো তা আমরা বুঝতে পারি না। বন দফতরের দুই বিভাগে জানানো রয়েছে। তবুও হাতির হানা কমছে না। তাই বাধ্য হয়ে কেউ কাঁঠাল নামিয়ে নিচ্ছে। আবার কেউ গাছ কাটছে।”
জ্যৈষ্ঠ মাসে কাঁঠালের ব্যবসা জমে ওঠে। সেই অপেক্ষা করছিলেন বাসিন্দারা। কিন্তু অপেক্ষা দুর্দশার রূপ নিচ্ছে প্রতিনিয়ত। ইতিমধ্যে হাতি কাঁঠাল খেতে এসে ৫ টি বাড়ি ভেঙেছে।যার ক্ষতিপূরণ মেলেনি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। হাতির হানা রুখতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন বাসিন্দারা।
Annanya Dey
