
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: শেষের সেইদিন(Doomsday) এগিয়ে আসছে। আগেই টের পেয়ে গিয়েছে আমেরিকা(USA)। ভয়ংকর সেই দিনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মার্কিন সরকার। শুধু তাই নয় সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা থেকে ২১ ট্রিলিয়ন ডলার সরিয়ে তৈরি করা হয়েছে ওই প্রকল্প। উদ্দেশ্য হল মাটির নীচে একটি শহর তৈরি করা। সেই শহরে থাকবেন দেশের বাছাবাছা ধনী ও দেশের কিছু বাছাইকরা রাজনীতিবিদরা।
জর্জ ডাবলিউ বুশের আমলে হাউজিং অ্যান্ড আরবান ডেভলপমেন্ট দফতরের আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ক্যাথরিন অস্টিন ফিটস। তিনিই আমেরিকা সরকারের ওই পরিকল্পনার কথা ফাঁস করেছেন ফক্স নিউজে। আমেরিকা সরকারের ওই পরিকল্পনার বিষয়ে কোনও প্রমাণ দেননি ক্যাথরিন। তবে তিনি বলেছেন ২০১৭ সালে মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির অর্থনীতিবিদ মার্ক সিডমোর সরকারের কিছু অস্বাভাবিক খরচের কথা তুলে ধরেন। বলা হয়ে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সরকার কোনও এক অজ্ঞাত খাতে বিপুল টাকা খরচ করেছে।
ফিটস বলেছেন সরকারের ওই বিপুল ২১ ট্রিলিয়ন ডলার কোথায় খরচ হয়েছে তার খোঁজ করার জন্য বেশ কয়েক বছর চেষ্টা করেছেন। তাতেই উঠে এসেছে সরকার গোটা দেশে ১৭০টি ভূগর্ভস্থ বেস তৈরি করার জন্য ওই টাকা খরচ করছে। এমনকি সমুদ্রের নীচেও বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমে ফিটস বলেন, খুব হিসেব কষে আমরা এগিয়েছি। বোঝার চেষ্টা করেছি কত টাকা খরচ হয়েছে। দেশের কোথায় ও সমুদ্রের কোথায় আন্ডারগ্রাউন্ড বেস তৈরি করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে মোট ১৭০টি এরকম ভূগর্ভস্থ বেস তৈরি করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে খুব ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থায় তৈরি করা হয়েছে।
এমনিতেই আমেরিকার বিভিন্ন জায়গায় বাঙ্কার তৈরি করা রয়েছে আপাতকালীন অবস্থার জন্য। ভার্জিনিয়া, কলোরাডো, পেনসিলভেনিয়ার পাহাড়ি এলাকায় রয়েছে আন্ডারগ্রাউন্ড বেস। এসব তৈরি করা হয়েছে জরুরি অবস্থার জন্য। মনে করা হয়েছিল ওইসব বেস তৈরি করা হয়েছিল কোনও পারমাণবিক হামলার মোকাবিলায়। কিন্তু ফিটস জানিয়েছেন আসলে ওইসবের মধ্যে অনেকগুলোই আসলে মহাপ্রলয়ের দিন বাঁচার জন্য তৈরি করা।
ঠান্ডা যুদ্ধের সময়ে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় তৈরি হয়েছিল গ্রিন ব্যারিয়ার রিসর্ট বাঙ্কার। এখানেই লুকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল রাজনীতিবিদদের। কিন্তু ওটি আসলে তৈরি করা হয়েছিল শেষের সেই দিনে বাঁচার জন্য। মজার বিষয় হল এক কোনও সরকারি নথি তৈরি করা হয়নি।
(Feed Source: zeenews.com)
