
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আইপিএলের মাঝপথেই (IPL 2025) চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করে দিয়েছেন (Rohit Sharma Announces Test Retirement) তিনি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভরাডুবির পরেই একপ্রকার ঠিক হয়ে গিয়েছিল যে, ক্রিকেটের দীর্ঘতম সংস্করণকে আলবিদা বলতে চলেছেন রোহিত। বাস্তবে তেমনই ঘটেছে। এখানেই শেষ নয়, রোহিতের অবসর নেওয়ার ঠিক পাঁচ দিন পর বিরাট কোহলিও টেস্ট ক্রিকেট থেকে নিজের নাম তুলে নিয়েছেন (Virat Kohli Announces Test Retirement)। নির্বাচকরা ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য কোহলিকেই ভারতের অধিনায়ক করার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু তেমনটা হওয়ারও আর সম্ভাবনা নেই।
অধিনায়কত্বের রেসে চার!
জাতীয় দলের উইকেটকিপার-ব্যাটার ঋষভ পন্থ, টেস্ট দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের একজন কেএল রাহুল, ভারতীয় দলের সুপারস্টার জসপ্রীত বুমরা ও ওডিআই দলে রোহিতের ডেপুটি শুভমন গিলের নামই পরবর্তী অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে ভাসছে। যদিও ঋষভ-রাহুল-বুমরা রেসে থাকলেও, এগিয়ে শুভমনই। তবে ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের স্টার কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত সাফ বলে দিলেন যে, ২৫ বছরের গিলকে যেন অধিনায়ক না করা হয়। বিশ্বজয়ী করেছেন বিরাট সুপারিশ। তিনি চাইছেন টেস্টের দায়িত্ব নিক গুজরাতি!
শ্রীকান্ত চাইছেন বুমরাকেই!
প্রাক্তন নির্বাচক প্রধান শ্রীকান্ত এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, ‘এখন তাহলে অধিনায়ক প্রার্থী হিসাবে কে একেবারে প্রস্তুত ? শুভমন গিল? আমার মনে হয় না সে আদৌ প্রথম একাদশে নিশ্চিত কি না! কেএল রাহুল বা ঋষভ পন্থকে অধিনায়কত্ব যখন দেওয়া হচ্ছে না, তাহলে জসপ্রীত বুমরাকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। বুমরাকে গিয়ে বলা হোক, ‘বস, তুমিই অধিনায়ক’। আর যে টেস্ট ম্যাচে ও খেলবে না, তখন রাহুলকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। এখনও পর্যন্ত, আমার মনে হয় বুমরারই অধিনায়ক হওয়া উচিত। আমি যদি নির্বাচক চেয়ারম্যান হতাম, তাহলে আমি বুমরাকে অধিনায়ক করতাম। আমি বলতাম, ‘বস, তুমি যে ম্যাচ খেলতে চাও খেলো। তারপর আমি রাহুল বা পন্থকে সহ-অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত করতাম। কারণ তারা প্রথম একাদশে নিশ্চিত। এতে কোনও ভুল নেই। কাউকে অধিনায়ক করার জন্যই অধিনায়ক হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। আমি জানি না নির্বাচকরা কী ভাবছেন, তবে এটি আমার মতামত।’ এবার দেখা যাক ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কাকে এই গুরুদায়িত্ব দেয়!
(Feed Source: zeenews.com)
