অনেক দিন ধরেই অভিযুক্তকে খুঁজছিল পুলিশ। অবশেষে ধর্ষণে অভিযুক্তকে ‘এনকাউন্টার’ করল উত্তরপ্রদেশের পুলিশ। লখনউয়ের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই শোরগোল ফেলে দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গোপন সূত্রে খবর আসে, লখনউয়ের মাদেগঞ্জে আশ্রয় নিয়েছে ওই অভিযুক্ত।
impolicy=website&width=415&height=270″ alt=”প্রতীকী ছবি” data-nimg=”intrinsic” />প্রতীকী ছবি
লখনউ: অনেক দিন ধরেই অভিযুক্তকে খুঁজছিল পুলিশ। অবশেষে ধর্ষণে অভিযুক্তকে ‘এনকাউন্টার’ করল উত্তরপ্রদেশের পুলিশ। লখনউয়ের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই শোরগোল ফেলে দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গোপন সূত্রে খবর আসে, লখনউয়ের মাদেগঞ্জে আশ্রয় নিয়েছে ওই অভিযুক্ত। সেই খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে সাব-ইনস্পেক্টর সাকিনা খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে যায়।
পুলিশ সূত্রে খবর, এই অভিযানের খবর পাওয়ামাত্রই অভিযুক্ত যুবক পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অভিযুক্তের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে অভিযুক্ত। এরপরে পাল্টা পুলিশও গুলি চালায়। অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। কিন্তু তা না করে পুলিশের উপর হামলা চালায় ওই যুবক। পাল্টা পুলিশও গুলি চালায়। এই গুলির লড়াইতেই বুলেটবিদ্ধ হয় অভিযুক্ত। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই প্রসঙ্গে, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ‘এনকাউন্টার’-এর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মহিলা সাব-ইনস্পেক্টর সাকিনা খান এই মামলার তদন্ত করছিলেন। নির্যাতিতার কাউন্সেলিংও করছেন। অভিযুক্ত যুবক পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতেই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। তখন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হন। প্রসঙ্গত, গত ২৮ মে মাদেগঞ্জে এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।
(Feed Source: news18.com)