Israel-Iran War: এই আক্রমণ জঘন্য! মানুষের জীবন বিপন্ন করে তোলায় ইসরায়েলকে তীব্র নিন্দা জর্ডনের…

Israel-Iran War: এই আক্রমণ জঘন্য! মানুষের জীবন বিপন্ন করে তোলায় ইসরায়েলকে তীব্র নিন্দা জর্ডনের…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরানের (Iran) ওপর ইসরায়েলি ড্রোন (Israel Drone Attack) হামলার কয়েক ঘণ্টা পর শুক্রবার নিজেদের আকাশসীমা (AIR Flight) বন্ধ করে দিয়েছে জর্ডান (Jordon)। দেশের সরকার জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা হুমকিতে পড়তে পারে—এমন কোনও আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।

সরকারি মুখপাত্র মোহাম্মদ মোমানি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পেত্রাকে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, ‘জর্ডানের জাতীয় নিরাপত্তা একটি লাল রেখা। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এপ্রিল ২০২৪-এ ইসরায়েলি হামলায় ইরানের দামেস্ক কনস্যুলেটে হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান যখন ইসরায়েলের দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল, তখনও জর্ডান সেগুলো বাধা দিয়েছিল। সেই সময়ও দেশের অভ্যন্তরে সমালোচনা ওঠে, তবে সরকার জানায়—এটি ছিল নাগরিকদের সুরক্ষার স্বার্থে নেওয়া পদক্ষেপ।

জর্ডানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএআরসি) জানিয়েছে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে দেশটির আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে সব ধরনের আগত, বহির্গামী ও ট্রানজিট ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

সিএআরসি প্রধান হাইথাম মিস্তো বলেন, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তা চুক্তি—বিশেষত শিকাগো কনভেনশনের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি জানান, আঞ্চলিক উত্তেজনা বিবেচনায় নিয়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করা হবে।

জর্ডান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি অবস্থানে রয়েছে—পশ্চিমে ইসরায়েল ও পশ্চিম তীর এবং পূর্বে ইরান-ঘনিষ্ঠ ইরাকের সীমানা ঘেঁষে রয়েছে দেশটি।সামগ্রিকভাবে  ইরানে ইসরায়েলের হামলাকে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার সামিল বলে মনে করছে জর্ডান। জর্ডানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইমান সাফাদিতের সঙ্গে ফোনালাপে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘ইরান কঠোরভাবে এই হামলার জবাব দেবে।’ শুক্রবার সকালে তেহরানে কয়েকটি বিস্ফোরণ হয়, পরে এ হামলার দায় স্বীকার করে ইসরায়েল। হামলায় ইরানের কয়েকজন কমান্ডার ও বিজ্ঞানী নিহত হন।

এর আগে চার মুসলিম দেশ- তুরস্ক, ওমান, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরব স্পষ্ট ভাষায় এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকিতে ফেলেছে। এদিকে রাষ্ট্রপুঞ্জ ও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও জাপানও স্থিতিশীলতা ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা আরও বাড়লে তা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকিতে পরিণত হতে পারে।

অপরদিকে, নিউজিল্যান্ড ও জাপান বলেছে, সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ, কোনও সমাধান নিয়ে আসে না; তাই সবাইকে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার দিতে হবে

(Feed Source: zeenews.com)