
Purulia News: শিকারা পয়েন্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে যে মূল্য ধার্য করা হত, তা আর নেওয়া হচ্ছে না সাধারণের থেকে। তাই সকাল-বিকেল অনেকেই এই শিকারা পয়েন্টে সময় কাটাতে আসছেন।
শিকারা পয়েন্ট
পুরুলিয়া: রাজ্য পর্যটন মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জঙ্গলমহলের পুরুলিয়া জেলা। ছোট বড় মিলিয়ে রয়েছে এখানে একাধিক পর্যটন কেন্দ্র। সারা বছরই কমবেশি পর্যটকরা আসেন এই জেলায়। পুরুলিয়া আসা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের অন্যতম শিকারা পয়েন্ট। বহু পর্যটক এই শিকারা পয়েন্টে নৌকা বিহার করতে আসেন। কাশ্মীরের ডাল লেক থেকে নৌকা আনা হয়েছিল এই শিকারা পয়েন্টে। শুধু পর্যটক নয়, শহর পুরুলিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেকেই প্রায় দিন সাহেব বাঁধে শিকারা বিহার করতে আসেন। তবে বিগত প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে এই শিকারা বিহার। মূলত টেন্ডার সংক্রান্ত কারণেই বন্ধ রয়েছে শিকারা বিহার বলে জানা গিয়েছে পৌরসভা সূত্রে। কিন্তু পুরুলিয়া পৌরসভা শিকারা পয়েন্টে নিয়ে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। সর্বসাধারণের জন্য একেবারে বিনামূল্যে শিকারা পয়েন্টের অবাধে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে পুরুলিয়া পৌরসভা।
বিগত দিনে শিকারা পয়েন্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে যে মূল্য ধার্য করা হত, তা আর নেওয়া হচ্ছে না সাধারণের থেকে। তাই সকাল-বিকেল অনেকেই এই শিকারা পয়েন্টে সময় কাটাতে আসছেন। কেউ পরিবার নিয়ে কেউ বন্ধু-বান্ধবদের কেউ আবার বাচ্চাদের নিয়ে বেড়াতে আসছেন এই শিকারা পয়েন্টে। পৌরসভার এই উদ্যোগে খুশি শহরবাসীরা।
পুরুলিয়া পৌরসভার পুরপ্রধান নব্যেন্দু মাহালি বলেন, “শিকারা বিহার বন্ধ থাকলেও শিকারা পয়েন্ট যে বসার জায়গা তার সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। সকালে অনেকেই এখানে মর্নিং ওয়াক করতে আসছেন , বিকেলে খেলাধুলা করার জন্য বাচ্চারা এই পার্কে আসে। আগামী দিনে শিকারা বিহার যাতে দ্রুত শুরু করা যায় তার চেষ্টা চলছে।”
পর্যটকদের পছন্দের ডেসটিনেশনের তালিকায় দীঘা, পুরী, দার্জিলিং-এর সঙ্গে পাল্লা দেয় লাল মাটির এই জেলা। আর এই জেলার পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ এই শিকারা পয়েন্ট। তাই এই শিকারা পয়েন্টে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ করে মেলায় খুশি সকলেই।
শর্মিষ্ঠা বন্দ্যোপাধ্যায়
