Ahmedabad Plane Crash: ‘কেউ কফিন খুলবেন না…’, আহমেদাবাদে ভেঙে পড়া বিমানের যাত্রীদের দেহাংশ পৌঁছচ্ছে বাড়ি বাড়ি! কিন্তু কেন কফিন না খোলার নির্দেশ?

Ahmedabad Plane Crash: ‘কেউ কফিন খুলবেন না…’, আহমেদাবাদে ভেঙে পড়া বিমানের যাত্রীদের দেহাংশ পৌঁছচ্ছে বাড়ি বাড়ি! কিন্তু কেন কফিন না খোলার নির্দেশ?

Air India Plane Crash: নিহতদের মরদেহ শনাক্ত করতে তিনটি ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাব (এফএসএল) দল মোতায়েন করা হয়েছে, যারা নিহতদের হাড় ও দাঁতের নমুনার সঙ্গে স্বজনদের রক্তের নমুনার মিল খুঁজছে, সেই নমুনা মিললে, দেহ বাড়িতে পাঠান হচ্ছে কফিনে করে।

*১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ওড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ভাঙে পড়ে। বিমানে মোট ২৪২ আরোহী ছিলেন। বিমান দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৭৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। ভেঙে পড়া বিমানের এক যাত্রী ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বেশ কুমার রমেশ বেঁচে যান।

*দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ শনাক্ত করতে তিনটি ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাব (এফএসএল) দল মোতায়েন করা হয়েছে, যারা নিহতদের হাড় ও দাঁতের নমুনার সঙ্গে স্বজনদের রক্তের নমুনার মিল খুঁজছে, সেই নমুনা মিললে, দেহ বাড়িতে পাঠান হচ্ছে কফিনে করে।

*আহমেদাবাদ সিভিল হাসপাতালে মৃতদেহের ৯২টি নমুনার ডিএনএ মেলানো সম্পন্ন হয়েছে। তবে এই ৯২ নমুনা ৮৭ জনের, কারণ কোনও কোনও ক্ষেত্রে একই ব্যক্তির শরীরের একাধিক অঙ্গ পাওয়া গিয়েছে।

*এখনও পর্যন্ত ৪৭টি মৃতদেহ আহমেদাবাদ, খেড়া, কোটা, মেহসানা, ভারুচ, ভদোদরা, আরাবল্লী, আনন্দ, জুনাগড়, ভাবনগর, আমরেলি এবং মহিসাগর জেলায় পাঠানো হয়েছে। নিহতদের কয়েকজনের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে রবিবার। রাজস্থানের উদয়পুরের বাসিন্দা মোদি পরিবার আহমেদাবাদের থালতেজ শ্মশানে তাঁদের দুই সন্তান শুভ (২৪) ও শাগুনের (২৩) শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। দু’জন লন্ডন বেড়াতে যাচ্ছিলেন।

*চাঁদখেদায় গির্জার প্রার্থনা সভা শেষে কবরস্থানে রোজার ক্রিশ্চিয়ান ও রচনা খ্রিস্টান নামে দু’জনের শেষকৃত্যও সম্পন্ন করেন। দু’জনেই ইংল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছিলেন।

*মেহতা পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য, ঋতু মেহতা। তাঁর বাবা-মা সুনীল ও বর্ষা মেহতা এবং বোন মেঘা মেহতা অভিশপ্ত বিমানে ছিলেন। রবিবার শুধু মেঘার দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়, দেহ পেয়েছে ঋতু। সেই দেহ দাহ করা হয়েছে।

*লাশ শনাক্তকরণে বিলম্ব ও বিমান সংস্থার গাফিলতিতে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে অনেক পরিবার। ইমতিয়াজ আলি বলেন, ‘৭২ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে এবং এখনও কারও সঙ্গে কোনও যোগাযোগ হয়নি। আমার ভাই জাভেদ, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান মারা গিয়েছে। আমরা শুধু অপেক্ষা করছি।

*মৃতদেহ হস্তান্তরের সময় রাজ্য সরকার ডেথ সার্টিফিকেট, পুলিশ ইনভেস্টিগেশন রিপোর্ট, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, এফএসএল রিপোর্ট (ডিএনএ ম্যাচ নিশ্চিত হওয়া সহ) এবং মৃতদেহ থেকে পাওয়া গয়না ও অন্যান্য জিনিস পরিবারের হাতে তুলে দিচ্ছে। এই মুহূর্তে সবার ঠোঁটে একই কথা… “কফিন খুলবেন না…’ হয়তো এই কারণে যে, সেই কফিন খুলে কাছের মানুষেরা যা দেখবেন, তাতে তাদের কষ্ট আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। সারা জীবন সেই দৃশ্য কেউ কোনওদিন ভুলতে পারবে না।”

(Feed Source: news18.com)