Yuvraj Singh-Urvashi Rautela: ‘নিষিদ্ধ’ প্ল্যাটফর্মে কাপজয়ী দেশের ৩ মহারথী! ফাঁসলেন লাস্যময়ী মডেল-অভিনেত্রীর সঙ্গে…

Yuvraj Singh-Urvashi Rautela: ‘নিষিদ্ধ’ প্ল্যাটফর্মে কাপজয়ী দেশের ৩ মহারথী! ফাঁসলেন লাস্যময়ী মডেল-অভিনেত্রীর সঙ্গে…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দেশে বৈধ এবং অবৈধ অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের ছড়াছড়ি (Online Betting Platforms)! কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি) তদন্তে নেমেছে। যদিও ইডি-র পর্যবেক্ষণের ফোকাস এখন এনডোর্সমেন্টের দিকে সরে গিয়েছে।

ইডি খতিয়ে দেখছে যে, এসব অবৈধ বেটিং প্ল্যাটফর্মে কোন কোন সিনে সেলিব্রিটি ও ক্রিকেটাররা জড়িয়েছেন। ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী তিন মহারথী-যুবরাজ সিং (Yuvraj Singh), হরভজন সিং (Harbhajan Singh) ও সুরেশ রায়নাকে (Suresh Raina)। ইডির সঙ্গে প্রশ্নের মুখে পড়েছেন লাস্যময়ী মডেল-অভিনেত্রী ঊর্বশী রাউতেলারও (Urvashi Rautela)। এমনটাই রিপোর্ট একাধিক মিডিয়ার।

ইডির রাজারে এসেছে ওয়ানএক্স বেট (1xBet), ফেয়ারপ্লে (FairPlay), পারিম্যাচ (Parimatch) এবং লোটাস ৩৬৫ (Lotus365)-সহ একাধিক নিষিদ্ধ বেটিং প্ল্যাটফর্ম। ইডির চলতি তদন্তের ‘প্রমোশনাল লিংক’-এ জুড়েছে যুবরাজ-হরভজন-রায়নার সঙ্গে ঊর্বশী ও সোনু সুদ। এক ইডি কর্তাকে উদ্ধৃত করে এক সর্বভারতীয় মিডিয়া লিখেছে, ‘এই বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলি বিজ্ঞাপন প্রচারণায় 1xbat এবং 1xbat স্পোর্টিং লাইনের মতো নাম ব্যবহার করছে।  বিজ্ঞাপনগুলিতে প্রায়শই কিউআর কোড থাকে. যা ব্যবহারকারীদের বেটিং সাইটগুলিতে ঢুকিয়ে দেয়। যা স্পষ্ট ভারতীয় আইনের লঙ্ঘন।’  কিছু সেলিব্রিটিকে এই সংক্রান্ত নোটিশ জারি করা হয়েছে। অন্যরা এখনও পাননি বলেই জানান সেই ইডি কর্তা।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, ইডি প্রাথমিক তদন্তে দেখাছে যে, এই এনডোর্সমেন্টগুলি তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) আইন, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইন (ফেমা), অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ) এবং বেনামি লেনদেন আইন-সহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় আইন লঙ্ঘন করেছে। আরও বলা হয়েছে যে, এই রকমের এনডোর্সমেন্ট তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক, ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের জারি করা পরামর্শগুলিকেও লঙ্ঘন করে।

অনলাইন বেটিং এবং অনলাইন গেমিং অ্যাপগুলি হামেশাই ক্রিকেটার এবং অভিনেতাদের হাতিয়ার করে প্রচারের জন্য়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে বিশ্বাসযোগ্যতা আনতেই এই পন্থা নেন সংস্থাগুলি। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়াও ইদানিং বিলবোর্ডে এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেখা যায়। যা নিয়ে সতর্কতা জারি হয়েছে বছর তিনেক আগেই। এই অ্যাপগুলি কীভাবে কাজ করছে, কর ফাঁকি কীভাবে দিচ্ছে, সেদিকে কড়া নজর রাখে রাজস্ব দফতর, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ জিএসটি ইন্টেলিজেন্স, ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও এই অ্যাপগুলিকে তাঁদের পর্যবেক্ষণে রেখেছে বলে সূত্রের খবর। যত শীঘ্র সম্ভব ভারতে এই অ্যাপের ক্র্যাকডাউন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

(Feed Source: zeenews.com)