
Meghalaya Honeymoon Murder: মেঘালয় হানিমুনে কাণ্ডে গ্রেফতারির পর প্রথম থেকে রাজের পাশে ছিলেন তাঁর ঠাকুমা। দাবি করেছিলেন, তাঁর নাতি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। সেই ঠাকুর মৃত্যুতে শোকস্তম্ভ পরিবারের লোক ও স্থানীয়রা।
জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মেঘালয়ে হানিমুন কাণ্ডে তোলপাড় গোটা দেশ। তদন্তে প্রায় রোজই উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এসবের মাঝেই এবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন অন্যতম অভিযুক্ত রাজ কুশওয়াহার ঠাকুমা। শোকের ছায়া উত্তরপ্রদেশের ফতেপুরে রাজের পৈতৃক বাড়িতে।
জানা গিয়েছে, রাজের আদি বাড়ি উত্তরপ্রদেশে ফতেপুর জেলার রামপুরে। প্রায় চোদ্দ বছর আগে জীবিকার খোঁজে ইন্ডোরে চলে আসেন পরিবারের লোকেরা। আর্থি অবস্থাও আগের থেকে ভালো হয়। এরপর একে একে অনেক আত্মীয় পাকিপাকিভাবে থাকা শুরু করে ইন্দোরেই। কিন্তু ঠাকুমা নিয়ে গ্রামের বাড়িতেই থেকে যান রাজের দিদি।
মেঘালয় হানিমুনে কাণ্ডে গ্রেফতারির পর প্রথম থেকে রাজের পাশে ছিলেন তাঁর ঠাকুমা। দাবি করেছিলেন, তাঁর নাতি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। সেই ঠাকুর মৃত্যুতে শোকস্তম্ভ পরিবারের লোক ও স্থানীয়রা। এই ঘটনায় অবশ্য সন্দেহজনক কিছু দেখছেন না তাঁরা। গ্রামবাসীদের দাবি, নাতির গ্রেফতারির ধাক্কা সহ্য করতে পারেননি ওই বৃদ্ধ। তারজেরেই হার্ট অ্যাটাক ও মৃত্য়ু।
ইন্দোরের বছর ২৯-এর রাজা রঘুবংশী খুনের নেপথ্যে সামনে এল তৃতীয় ব্যক্তির নাম। সঞ্জয় বর্মা নামে একজন ব্যক্তির নাম সামনে এসেছে। বিয়ের আগে এবং পরে সোনম রঘুবংশীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ ছিল এই সঞ্জয়ের। তাকে নাকি ১১৯ বার কর করেছে সোনম। ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চের মধ্যে সোনম এবং সঞ্জয়ের বহুবার কল বিনিময় হয়েছে। বর্তমানে যদিও এই নম্বর বন্ধ বলেই সূত্রের খবর।
(Feed Source: zeenews.com)
