
রাত পোহালেই ২১শে জুন পালিত হতে চলেছে ১১তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (IDY)। অভূতপূর্ব মাত্রা এবং জাঁকজমকের সঙ্গে উদযাপিত হতে চলেছে এবারের দিনটি। কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে গোটা দেশের অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেবেন। মূল স্থানে ৩ লক্ষেরও বেশি অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে সাধারণ যোগাসন করবেন তিনি। তার সঙ্গে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব। এছাড়াও, থাকবেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু।
১০ লক্ষেরও বেশি স্থানে
বিশাখাপত্তনমে এই অনুষ্ঠানটি দেশব্যাপী ‘যোগ সংগম’ উদ্যোগের অংশ হবে। যেখানে ভারত জুড়ে ১০ লক্ষেরও বেশি স্থানে যোগব্যায়াম সেশন অনুষ্ঠিত হবে। গণ প্রদর্শনীটি সকাল ৬:৩০ থেকে ৭:৪৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। শুধুমাত্র অন্ধ্রপ্রদেশে ১ লক্ষেরও বেশি স্থানে ২ কোটিরও বেশি মানুষ এতে অংশগ্রহণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকার গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপনের চেষ্টা করছে একই সঙ্গে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫০ লক্ষেরও বেশি শংসাপত্র বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের তরফে।
১০৮ মিনিটে ১০৮টি সূর্য নমস্কার
মূল অনুষ্ঠানের প্রতীকী অনুষ্ঠান হিসেবে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ প্রায় ২৫,০০০ উপজাতি শিশু ১০৮ মিনিটে ১০৮টি সূর্য নমস্কার পরিবেশন করে। এই উদ্যোগটি উপজাতি সম্প্রদায়ের উৎসাহী অংশগ্রহণকে তুলে ধরেছে বিশ্বের কাছে।
রাজধানী জুড়ে আয়োজন
দিল্লিও এই উদযাপনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। রাজধানী জুড়ে ১০৯টি স্থানে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঐতিহাসিক লাল কেল্লায় একটি জমকালো যোগ অধিবেশন হবে কাল।
মোদীর চিঠি
চলতি বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল লক্ষ্য, ‘এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্যের জন্য যোগ’। এই লক্ষ্য ভারতের সুস্থতার সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। উদযাপনের আগে, প্রধানমন্ত্রী মোদী সমস্ত গ্রাম প্রধানদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লিখে যোগের প্রভাব এবং এর ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন। তাঁর বার্তা তৃণমূল পর্যায়ে নতুন করে উৎসাহের সঞ্চার করেছে। যার ফলে পঞ্চায়েত, অঙ্গনওয়াড়ি এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে ব্যাপক যোগব্যায়াম কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
(Feed Source: hindustantimes.com)
