
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরানের উপরে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। পাল্টা ইরানি ব্যালেস্টিক মিসাইলের আঘাতে গুঁড়িয়ে গিয়েছে ইসরায়েলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভবন। এর মধ্যে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের অফিসও রয়েছে। পাশাপাশি দুদেশের লড়াই শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতেনিয়াহু ইরানি সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা খামেইনিকে হত্যার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পাশাপাশি খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্পও হুমিক দিয়েছিলেন, খামেইনি কোথায় আছে আমরা জানি। দুদেশের নেতাদের ওইসব মন্তব্য থেকে স্পষ্ট আয়োতোল্লা খামেইনির উপরে আক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ছে। এরকম এক পরিস্থিতিতে নিজের মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরাধিকারী বেছে নিলেন আয়াতোল্লা খামেইনি। এমনটাই খবর এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে।
তাঁর জীবন যে কোনও দিন নিভে যেতে পারে, এমনটাই কি বুঝে গিয়েছেন আয়াতোল্লা খামেইনি? তা না হলে তিনি কেন তাঁর উত্তরসুরি বেছে নেবেন? জানা যাচ্ছে নিজের ৩ জন উত্তরসুরির নাম প্রস্তাব করেছেন। বর্তমানে খামেইনি রয়েছেন বাঙ্কারে। কোনও ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার ব্যবহার করেছেন না।
ইসরায়েল ইরান আক্রমণ করার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছেন খামেইনি। ১৯৮০ সালের ইরাক যুদ্ধের পর একবড় হামলা ইরানে হয়নি। টানা আট বছরের যুদ্ধে সাদ্দাম হোসেন যে ক্ষতিটা ইরানের করেছিলেন, তার থেকে অনেক বেশি ক্ষতি ইরানের করে গিয়েছে ইসরায়েল। তাদের পরমাণুকেন্দ্র, রিফাইনারি, গোয়েন্দা, সেনাকর্তাদের উপরে হামলা হয়েছে। নিহত হয়েছেন ইরানের ৯ শীর্ষ সেনা ও গোয়েন্দা কর্তা। ফলে এককথায় আতঙ্কে ইরান। তবে আতঙ্ক কাটিয়ে পাল্টা হামলাও করেছে ইরান।
রাজনৈতিক মহলের মতে হয় ইসরায়েল নয়তো আমেরিকা হত্যা করতে পারে খামেইনিকে। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই দেশের ধর্মীয় নেতাদের কাছে তাঁর ৩ পছন্দের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। ফলে আয়াতোল্লার কোনও কিছু হয়ে গেলে তাদের মধ্যে একজনই হবেন দেশের সর্বোচ্চ নেতা।
আয়াতোল্লা আলি খামেইনির ছেলে মোজতবাও একজন ধর্মীয় নেতা। তিনি আবার ইসালামিক রেভলিউশনারি গার্ডের ঘনিষ্ঠ। কিন্তু তিনি খামেইনির বেছে নেওয়া তিন জনের মধ্যে নেই। তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যে খামেইনির এই সিদ্ধান্ত ভাবাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলকে।
(Feed Source: zeenews.com)
