Mainul Ahsan Nobel: ৭ মাস আটকে রেখে নাগাড়ে ধর্ষণের মূল্য চোকাল নোবেল! জেলেই ফের বিয়ে করতে হল কোর্টের ধমকে…

Mainul Ahsan Nobel: ৭ মাস আটকে রেখে নাগাড়ে ধর্ষণের মূল্য চোকাল নোবেল! জেলেই ফের বিয়ে করতে হল কোর্টের ধমকে…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: গত ২০ মে সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে (Mainul Ahsan Noble) গ্রেফতার করে বাংলাদেশের (Bangladesh) ডেমরা থানা পুলিস। এক তরুণীকে অপহরণ করে ৭ মাস আটকে রাখে নোবেল। দিনের পর দিন ধর্ষণের শিকার হয় সেই তরুণী। নোবেলকে যখন গ্রেফতার করা হয় তখন স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ বলেছিলেন, ওর সঙ্গে কোন মেয়ে যে ৭ মাস থাকতে পারে সেটাই তাঁর বিশ্বাস হয় না।

ছয় বছরের পেশাদার সংগীতজীবনে মাঈনুল আহসান নোবেল যতটা আলোচিত, ঠিক তার চেয়ে যেন বেশি সমালোচিত। একের পর এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে আলোচনায় থাকেন জি বাংলার সারেগামাপা দিয়ে পরিচিতি পাওয়া নোবেল। অনেক সম্ভাবনা নিয়ে সংগীতে যাত্রা শুরু হলেও, গানের বাইরের ব্যাক্তিগত ঘটনা তাঁকে পেছনে টেনে ধরে সবসময়। এবার সমালোচিত হয়েছেন এক যুবতী তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনায়। এরই মধ্যে টাঙ্গাইলের সেই যুবতীর মামলা করেছিলেন।

অভিযোগকারিনী তরুণী ঢাকার মোহাম্মদপুরে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন। ২০১৮ সালে নোবেলের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর পরিচয় হয়। তিনি তখন ঢাকা ইডেন মহিলা কলেজে পড়তেন।  নোবেলের সঙ্গে মোবাইলে প্রায় সময় কথা-বার্তা বলতেন। এরপর নোবেলের সঙ্গে দেখাও করেন সেই তরুণী।  নোবেল তাঁকে নিজের স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ডেমরা থানা এলাকায় তাঁর বর্তমান ঠিকানায় নিয়ে যান।

এরপর সেই তরুণী ফিরতে চাইলে একপর্যায়ে আরো দুই-তিনজনের সহায়তায় তাঁকে সেই বাড়িতেই আটক করে রাখেন নোবেল এবং দিনের পর দিন ধর্ষণ করেন। এরপর ফোন পেয়ে গত ২০ মে রাত ২.৩০টের সময় নোবেলের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিস। এই মামলাতেই এবার নোবেলের সঙ্গে মামলার বাদীর (ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী) রেজিস্ট্রি বিয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সেই মামলায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন নোবেল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কারা ফটকে নোবেলের সঙ্গে ধর্ষণ মামলার বাদী সেই যুবতী বিয়ে হয়েছে।

ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হয়ে গত ২০ মে থেকে কারাগারে আছেন গায়ক নোবেল। নোবেলের আইনজীবী আদালতের কাছে দাবি করেছিলেন, যে নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন, তিনি তাঁর স্ত্রী। তিনি ধর্ষণ করেননি। ওই যুবতীকে, স্ত্রী হিসেবে দাবি করলেও আদালতে কাবিননামা জমা দিতে পারেননি নোবেলের আইনজীবী জসীম উদ্দিন। ওই নারীকে সাত মাস ধরে একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয় নোবেলের বিরুদ্ধে।

(Feed Source: zeenews.com)