Peacock Feather Rescue: মহারাষ্ট্র বন দপ্তর পুণেতে বেআইনি ভাবে বিক্রি হওয়া ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি ময়ূরের পালক উদ্ধার করেছে। ১১ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ১৯৭২ অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত জানুন…
পুণেতে ৫০০ কেজি ময়ূরের পালক উদ্ধার! বেআইনি কেনা বেচার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১১
পুণে: মহারাষ্ট্রের বন দপ্তর পুণের সোমবার পেঠ এলাকায় বেআইনিভাবে ময়ূরের পালক বিক্রির অভিযোগে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। বন আধিকারিকরা মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন এবং তাদের কাছ থেকে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি ময়ূরের পালক জব্দ করেছেন। উল্লেখ্য, ময়ূরের পালক ভাঙা, মজুত করা, বেচা-কেনা অথবা ক্রয় করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
বন দপ্তর নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পারে যে পুণের সোমবার পেঠের নরপতগিরি চক এলাকায় বেআইনিভাবে ময়ূরের পালকের বেচাকেনা এবং সঞ্চয় করা হচ্ছে। এরপরই বন দপ্তরের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া সকল অভিযুক্ত উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা।
তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে।
সহকারী বন সংরক্ষক (ACF) মঙ্গেশ টাটে সংবাদ সংস্থা IANS-কে জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেছে যে তারা ময়ূরের পালক বিক্রির উদ্দেশ্যে এনেছিল এবং তাদের কাছে কোনও সরকারি অনুমতি ছিল না।
জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, শ্রী সান্ত গাডগেবাবা ধর্মশালা ক্যাম্পাসের বস্তি এলাকায় তাদের আরও কয়েকজন সঙ্গী পালকের মজুত করছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে বন দপ্তরের দল সেখানে হানা দিয়ে প্রায় ৪০০-৫০০ কেজি ময়ূরের পালক উদ্ধার করে।
মঙ্গেশ টাটে আরও জানান, এই ময়ূরের পালকগুলি মূলত উত্তর ভারতে শিকার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কতগুলি ময়ূর হত্যা হয়েছে তা তদন্তাধীন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ট্রেনে করে উত্তর ভারত থেকে পুণে এসেছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ময়ূর হল ভারতের জাতীয় পাখি এবং তার সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব অপরিসীম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই পালকগুলি বাড়ির সাজসজ্জায় ব্যবহৃত হয়।
(Feed Source: news18.com)