
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এমআরআই করাতে এসেছিলেন ৬১ বছরের এক ব্যক্তি। বেশিকিছু না ভেবেই ঢুকে পড়েন এমআরআই রুমে। কিন্তু ঘাতক হয়ে দাঁড়াল তার গলার নেকলেস। আচমকাই তাকে প্রবল গতিতে টেনে নিল এমআরআই মেসিন। প্রবল বেগে তিনি ধাক্কা খেলেন মেসিনের গায়ে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষরক্ষা হল না। ঘটনার পরদিনই তাঁর মৃত্যু হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লং আইল্যান্ডের ঘটনা।
এক মার্কিন সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী ওই ব্যক্তি গলায় পরেছিলেন একটি মোটা ধাতব নেকলেস। কেউ তাকে থামায়নি। সেই নেকলেস পরেই তিনি এমআরই রুমে ঢুকে পড়েন। সেইসময় মেসিন চালু ছিল। প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্য়ক্তি জানিয়েছেন, কোনও কারণে ওই ব্যক্তি দৌড়ে এমআরআই রুমে ঢুকে পড়েন।
উল্লেখ্য, এমআরআই মেসিনে তৈরি হয় একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র। সেক্ষেত্রে রোগী বা কোনও কর্মী কোনও ধাতব জিনিস পরে থাকলে তাকে টর্পোডোর মতো টেনে নেন মেসিনের চৌম্বক ক্ষেত্র। ওই ব্যক্তির ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে। ওই ঘটনার পর নিউ ইয়র্কের হেলথ ডিপার্টমেন্ট একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে, নিউ ইয়র্কের এমআরআই সেন্টারগুলি ডায়গোনিস্টিক সেন্টারে রেগুলেশনের বাইরে। ফলে সেখানে নিয়মিত তদারকি হয় না।
এমআরআই এর ক্ষেত্রে শক্তিশালী চৌম্বর ক্ষেত্রে ও রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে মানুষের দেহের কোনও অঙ্গের ছবি তৈরি করা হয়। এক্ষেত্রে কাছাকাছি যদি কোনও ধাতব বস্তু থাকে তাহলে তাকে টেনে নেয় এমআরআই মেসিনের চৌম্বক ক্ষেত্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমআরআই মেসিনের চৌম্বক ক্ষেত্রের ক্ষতি করার ক্ষমতা মারাত্মক হতে পারে। তাই বিভিন্ন ধরনের সতর্কতা নেওয়া হয়। গলায় যদি কোনও ধাতব চেন থাকে তাহলে গলা চেপে ধরার মতো আঘাত লাগতে পারে।
(Feed Source: zeenews.com)
