Nimisha Priya death sentence Fact Check: নিমিশা প্রিয়ার ফাঁ*সি রদ? ভারতের আবেদনে সাড়া দিল ইয়েমেন, সত্যিটা জানুন…

Nimisha Priya death sentence Fact Check: নিমিশা প্রিয়ার ফাঁ*সি রদ? ভারতের আবেদনে সাড়া দিল ইয়েমেন, সত্যিটা জানুন…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: খুনের অপরাধে ইয়েমেনে মৃত্যুদণ্ড সাজা ঘোষণা হয় কেরালার নার্স নিমিশা প্রিয়ার। ১৬ জুলাই তার ফাঁসি হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু ভারতের হস্তক্ষেপে সেই ফাঁসি স্থগিত হয়ে যায়। সোমবার জানা যায়, নিমিশার মেয়ের ইয়েমেন সরকারের কাছে মায়ের প্রাণের ভিক্ষা চায়।

নিমিশার মৃত্যুদণ্ড বাতিল?

মঙ্গলবার ভারতের গ্র্যান্ড মুফতি এবং সুন্নি নেতা কাঁথাপুরম এপি আবুবকর মুসলিয়ারের কার্যালয় দাবি করেছে যে, কেরালা নার্স নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড বাতিল হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি, বা ইয়েমেন সরকারের পক্ষ থেকেও এমন কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এমনকি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিমিশার মৃত্যুদণ্ড বাতিলের দাবি সঠিক নয়।

মুফতির ঘনিষ্ঠের দাবি:

অন্যদিকে, গ্র্যান্ড মুফতির ঘনিষ্ঠ জওয়াদ মুস্তাফাভি দাবি করেছেন, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর নিমিষা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্ত বদলে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতের গ্র্যান্ড মুফতির হস্তক্ষেপের ফলেই হয়েছে। গ্র্যান্ড মুফতি ইয়েমেনের খ্যাতনামা সুফি পণ্ডিত শেখ উমর হাফিজ থাঙ্গলকে অনুরোধ করেছিলেন, যাতে ইয়েমেনি ইসলামি পণ্ডিতদের একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়।

মধ্যস্থতার আলোচনায় উত্তর ইয়েমেনের শাসক কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরাও অংশ নিয়েছিলেন, যার ফলে এই সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়েছে। মুস্তাফাভি বলেন, আলোচনার সময় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করবে নিহত তালাল আবদো মাহদির পরিবারের সঙ্গে চলমান আলোচনার উপর।

ইয়েমেনে নিমিশাকে কেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল?
প্রিয়ার বাড়ি কেরালার পালাক্কাড জেলায়। পেশায় নার্স নিমিশা কাজের জন্য ইয়েমেন চলে যান। সেখানে কয়েক বছর কাজ করা পর নিজে ক্লিনিক খোলার চেষ্টা করেন। ইয়েমেনের আইন অনুযায়ী এর জন্য কোনও ইয়েমেনিকে পার্টনার হিসেবে নিতে হয়। সেই হিসেবে তালাত আবদো মাহাদি নামে একজনকে তিনি বিজনেস পার্টনার হিসেবে নেন। এই তালাত নিমিশার পাসপোর্ট-সহ অন্যান্য নথি আটকে দেয়। সেই নথি ফিরে পেতেই একদিন নিমিশা তালাতকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দেন। কিন্তু ওষুধের ওভারডোজে মৃত্যু হয় তালাতের। ইয়েমেন ছেড়ে যাওয়ার সময় ধরা পড়েন নিমিশা। সেই মামলায় ফাঁসির সাজা হয় নিমিশার।

(Feed Source: zeenews.com)