
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মোহনবাগান দিবসে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে চাঁদের হাঁট। এবছর মোহনবাগান রত্ন টুটু বোস। পুরষ্কার পেয়ে রীতিমতো আবেগতাড়িত তিনি। বুজে এল গলা! বললেন, ‘মৃত্যুর পর মোহনবাগানের ক্য়ান্টিনটা আমার নামে করে দিস, আর কারও নাম করিস না। ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ক্য়ান্টিনটা করে দিয়েছিলাম। আমি আর সুব্রত মুখোপাধ্যায় চিকেন স্টু আর পাউরুটি খেয়ে উদ্বোধন করেছিলাম’।
ইতিহাসে মোহনবাগান। ১৯১১ সালে খালি পায়ে ব্রিটিশদের হারিয়ে আইএফএ শিল্ড জিতেছিল যে দল, সেই দলটার নাম ছিল মোহনবাগান। ১১ জন বাঙালির গায়ে ছিল সবুজ-মেরুন জার্সি। আর সেই মোহনবাগানেরই কান্ডারী টুটু বোস। নাম নয়, তিনি নিজেই যেন একটা প্রতিষ্ঠান। টুটু জমানাতেই প্রথমবার বিদেশি ফুটবলার খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় মোহনবাগান। চিমাকে সই করান ক্লাবের তত্কালীন সচিব টুটু। আবার সচিত্র পরিচয় পত্রে ক্লাবে নির্বাচন, তাতেও অগ্রণী ছিলেন তিনিই।
আজ, মঙ্গলবার মোহনবাগানে দিবসে ‘মোহনবাগান রত্ন’ ভূষিত সেই টুটু বোস। তাঁর আবদার, ‘মোহনবাগান রত্ন হওয়ার জন্য এক লাখ টাকা পেয়েছি। ক্লাবে ৪ লাখ টাকার চেক পাঠিয়ে দেব। মোহনবাগান ক্লাবে এখন আজীবন সদস্য় ১৯ জন। পরের জন্ম ২০ নম্বর আজীবন সদস্য হতে চাই’।
এ বছর মোহনবাগানের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন আপুইয়া। সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার পেলেন দীপেন্দু বিশ্বাস। ‘সেরা সমর্থক’ রিপন মণ্ডল। প্রতুল চক্রবর্তী নামাঙ্কিত সেরা রেফারির পুরস্কার দেওয়া হয় মিলন দত্তকে। মতি নন্দীর নামে সেরা ক্রীড়া সাংবাদিকের মরণোত্তর পুরস্কার পান অরুণ সেনগুপ্ত ও মানস চক্রবর্তী। লাইফ অ্যাচিভমেন্টে পুরস্কার পেলেন রাজু মুখোপাধ্যায়।
(Feed Source: zeenews.com)
