
বর্তমানে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এ নতুন জুটি হয়ে মন কেড়েছেন জীতু-দিতিপ্রিয়া। পর্দার রসায়ন বাস্তবেও কি এক করতে চেয়েছিলেন নায়ক? কিন্তু দিতিপ্রিয়ার তেমন কোনও ইচ্ছা ছিল না বলেই জানা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে দেখা যায়, জীতুই নিজে যোগাযোগ করেন সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে। ব্যক্তিগত কথাবার্তা চালিয়ে যান। তার সতর্ক, সরল উত্তর দিতেও দেখা যায় দিতিপ্রিয়াকে। যদিও গোলমাল হয়ে যায় কয়েকটি টেক্সটে। সেখানে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কথা বলতেই জীতু বলে ওঠেন, “কেন তুমি কি প্রেগন্যান্ট?’ অতিরিক্ত ইয়ার্কির ঢঙে বেশ লঘু চালেই কথাটা বলেন জীতু, যার পর অসম্মানিত বোধ করেন দিতিপ্রিয়া। তবে ঘটনার সূত্রপাত কি এখানেই? না।
সমাজমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট। তার জেরে পনেরো দিনের বেশি সময় ধরে চর্চা টলিপাড়ায়। সূত্র বলছে, এই দূরত্বের শুরু সেই বিতর্কিত ছবি থেকে—যেখানে চাদর জড়ানো অবস্থায় জীতুর সঙ্গে দিতিপ্রিয়ার একটি মুহূর্ত ধরা পড়ে। ধারাবাহিকের প্রচারের স্বার্থেই নায়ক ছবিটি ভাগ করে নেন। কিন্তু ছবির ভুল ব্যাখ্যা শুরু হয় নেটদুনিয়ায়। কটাক্ষের মুখে পড়েন দিতিপ্রিয়া, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এই ঘটনার পরই নাকি দু’জনের সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ে। পরে জীতু ছবিটি সরিয়ে নেন নিজের প্রোফাইল থেকে।
এই পোস্টে যদিও কোনও নাম ছিল না, কিন্তু ইঙ্গিত যে জীতুর দিকেই, তা আন্দাজ করতে বাকি নেই কারও।
এমনকি শুটিংয়ে নিয়মিত সঙ্গে থাকা দিতিপ্রিয়ার মায়ের উপস্থিতি নিয়েও নাকি অসন্তুষ্ট ছিলেন সহ-অভিনেতা। সে কথাও নায়িকার কানে পৌঁছেছে।
নিউজ18 বাংলাকে দিতিপ্রিয়া বলেন, “আমি পেশাদার, কাজের জন্য পারিশ্রমিক পাই। কাজ করি, বাড়ি ফিরি। কিন্তু কিছুদিন ধরে আমার মা, আমার পরিবারকে টেনে নানা রকমের নেতিবাচক মন্তব্য করা হচ্ছে। আমার ছবি নিয়ে আপত্তি ছিল, জানিয়েছি। কিন্তু আমার মাকে নিয়ে সমস্যা কী? আমরা মেয়ে বলেই কি সব সহ্য করব?”
(Feed Source: news18.com)
