
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: প্রবল বৃষ্টি ও হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরপশ্চিম পাকিস্তান। এখনওপর্যন্ত পাক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী হড়পা বানে প্রাণ গিয়েছে ৩৪৪ জনের। রাস্তাঘাট ভেঙচুরে ভেসে গিয়েছে। উদ্ধারকাজে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বৃষ্টি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।
বেশিরভাগ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে খাইবারপাখতুনখাওয়া প্রদেশে। সেখানে অন্তত একশো ঘর ভেসে গিয়েছে বানের জলে। উদ্ধার কাজে গিয়ে ভেঙে পড়েছে একটি হেলিকপ্টার। এর পাশাপাশি পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও বালটিস্তানেও বন্যায় পরিস্থিতি খুবই খারাপ। ওইসব ক্ষতি হয়েছে মাত্র ২৪ ঘণ্টায়।
Extremely painful to see these videos. This is Saidu Sharif Swat, 2 to 3 minute away from our home
— Nazrana Yousufzai (@Nazranausufzai) August 15, 2025
খাইবার পাখতুনখাওর অধিকাংশ নদী, ছোটখাট নালা ছাপিয়ে জলে এয়ে ডুবিয়ে দিয়েছে এলাকা। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির তোড়ে ভেসে গিয়েছে বহু রাস্তাঘাট। বিদ্যুত্ নেই। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বহু এলাকায়।
Devastating. Entire village has been washed away and numerous families affected with several missing.
Please raise awareness and donate to help the affected population.#Pakistan #Buner #Floods pic.twitter.com/SxilSKIRC9
— Discover Pakistan | پاکستان (@PakistanNature) August 15, 2025
সোস্যাল মিডিয়ায় যেসব ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ছে তাতে দেখা যাচ্ছে জলের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে গাড়ি। ঘরবাড়ি ডুবে যাচ্ছে বানের জলে। উদ্ধারকারী দল কাজ করেত গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে। পীর বাবা ও মালিক পুরা এলাকায় মৃতদেহ উদ্ধার করতে প্রবল বেগ পতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে।
জুনের শুরু থেকেই প্রবল বর্ষা হচ্ছে পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায়। বিশেষকরে খাইবার পাখতুনখাওয়া ও দেশের উত্তরাঞ্চলে নজিরবিহীন বৃষ্টি চলছে। ধস, বন্যায় ভেসে গিয়েছে বহু এলাকা। পাকিস্তানের প্রভিসিয়াল ডিজাসটার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির দাবি ৩০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে হড়পা বানে। বানারে মারা গিয়েছেন ১৮৪ জন, সাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৬, মানসেরায় মারা গিয়েছেন ২৩ জন, সোয়াতে ২২ জন, বাজাউরে ২১ জন, বাতাগামে ১৫ জন, লোয়ার দিরে ৫ জন, অ্যাবাটাবাদে ১ শিশুর মত্যু হয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
