Meat-Eaters: কাটলেই নীল হয়ে যাচ্ছে মাংস! Pork-প্রেমীদের ভয়ংকর বিপদের খবর দিল গবেষকরা…

Meat-Eaters: কাটলেই নীল হয়ে যাচ্ছে মাংস! Pork-প্রেমীদের ভয়ংকর বিপদের খবর দিল গবেষকরা…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নতুন চিন্তা মাংস প্রেমীদের জন্য। ক্যালিফোর্নিয়ায় বুনো শূকরের মাংস এখন নীল রঙ হয়ে যাচ্ছে, যার অদ্ভুত ছবি ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই রঙের পরিবর্তনের কারণ হল ডাইফ্যাসিনোন নামের এক ধরনের বিষ। যা ইঁদুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহার করা হয়। বন্যপ্রাণী নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মালিক ড্যান বার্টন লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস-কে জানিয়েছেন, ‘আমি সামান্য নীলের কথা বলছি না, আমি বলছি একেবারে নিওন নীল, ব্লুবেরির মতো নীল।’ তাহলে কেন কৃষকরা ডাইফ্যাসিনোন ব্যবহার করেন এবং নীল কেন?

ডাইফ্যাসিনোন মূলত কাঠবিড়ালি, ইঁদুর ও ছুঁচো নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই বিষ বিশেষভাবে তৈরি করা টোপ বা বেইট স্টেশনে রাখা হয়। কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলো এটিকে নীল রঙে রঙিন করে যাতে মানুষ সহজে বুঝতে পারে যে এটি রোডেনটিসাইড। প্রশাসন সতর্কবার্তা দিয়েছে যে বুনো শূকরের মাংস খাওয়ার সময় সাবধান হতে হবে। কারণ রান্না করলেও এই বিষ নষ্ট হয় না। দূষিত মাংস খেলে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি থাকে, যেমন নাক থেকে রক্তপাত, মাড়ি থেকে রক্তপাত, প্রস্রাবে রক্ত এবং মলে রক্ত।

এ ছাড়া এর প্রভাব হতে পারে পেটব্যথা, কোমরব্যথা, মাথা ঘোরা, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং শ্বাসকষ্ট। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর তথ্য অনুযায়ী, এর প্রভাব প্রাণঘাতীও হতে পারে। শিকারিদের সচেতন থাকা উচিত যে বন্য শূকর, হরিণ, ভাল্লুক ও বুনো হাঁসের মতো বন্যপ্রাণীর মাংসও দূষিত হতে পারে, যদি সেই প্রাণী রোডেনটিসাইড-এর সংস্পর্শে এসে থাকে,” প্রেস রিলিজে জানিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়া ডিপার্টমেন্ট অব ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ (CDFW)-এর পেস্টিসাইড ইনভেস্টিগেশনস কোঅর্ডিনেটর ড. রায়ান বারবার।

তিনি আরও বলেন, “রোডেনটিসাইডের ব্যবহার এমন জায়গায় হলে যেখানে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল কাছাকাছি, সেখানে লক্ষ্যবস্তু নয় এমন প্রাণীর জন্যও এটি গুরুতর সমস্যা হতে পারে।” CDFW জানিয়েছে, উৎসাহিত করেছে প্রাণীর দেহে কোনও অস্বাভাবিকতা, বিশেষত নীল রঙের টিস্যু দেখা গেলে রিপোর্ট করতে।“ ঘটনা রিপোর্ট করা যাবে CDFW-এর ওয়াইল্ডলাইফ হেলথ ল্যাবে— WHLab@wildlife.ca.gov অথবা (916) 358-2790 নম্বরে।”

সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়া ডাইফ্যাসিনোন ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এখন এটি শুধুমাত্র বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে— যেমন মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ বা বিপন্ন প্রজাতির সুরক্ষা। ডাইফ্যাসিনোন বিষক্রিয়ার প্রভাব শুধু বন্য শূকরের ওপর নয়, বরং পেঁচা, মৌমাছি, ভাল্লুক, পাহাড়ি সিংহ এবং কনডর পাখির মতো অন্যান্য প্রাণীর উপরও পড়ছে। বিষ খাওয়া ইঁদুর খেয়ে এরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে, এমনকি মারা যেতে পারে।

(Feed Source: zeenews.com)