
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: গতবছর ৩১ অক্টোবর ছিল আইপিএল রিটেনশনের ডেডলাইন। অর্থাত্ ওই দিনই বিকেলের ভিতর ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজিকে খেলোয়াড় ধরা-ছাড়ার তালিকা জমা দিতে হয়েছিল বিসিসিআই-কে। নিয়ম মেনেই কলকাতা নাইট রাইডার্সও তাদের ধরে রাখা ৬ ক্রিকেটারের নাম জানিয়ে দেয়! তিনবাররে চ্যাম্পিয়ন শাহরুখ খানের টিম রেখে দিয়েছিল আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারিন, রিঙ্কু সিং, বরুণ চক্রবর্তী, হর্ষিত রানা ও রমনদীপ সিংকে। রাখা হয়নি আইপিএলজয়ী অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer), সহ-অধিনায়ক নীতীশ রানা ও তারকা পেসার মিচেল স্টার্ককে!
শ্রেয়সের কেকেআর ছাড়ার বিষয়ে ভেঙ্কি
যে শ্রেয়স কেকেআরকে আইপিএল জেতালেন! তাঁকেই বাদ দিয়ে দিল কেকেআর! শ্রেয়সকে আইপিএল রিটেনশিন লিস্টে না দেখে অনেকেই চমকে ছিলেন! প্রশ্ন উঠেছিল শ্রেয়স ছাড়লেন না কি তাঁকে ছাড়া হল? শ্রেয়সের ব্য়াপারে মুখ খুলেছিলেন কেকেআর সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। কেকেআর সিইও ভেঙ্কি মাইসোর এক স্পোর্টস ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন, ‘আমাদের রিটেনশন লিস্টে শ্রেয়স আইয়ারের নাম প্রথমেই ছিল। তবে এই খেলোয়াড় ধরে রাখার প্রক্রিয়া কিন্তু ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক নয়। শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজিরই ব্য়াপার নয় এটা। দেখতে হয় যে, সেই খেলোয়াড়ও থাকতে চাইছে কিনা। যেহেতু শ্রেয়স আমাদের অধিনায়ক ছিলেন, সেহেতু তালিকায় প্রথম নাম ছিল ওঁরই। এই কারণেই তো ওকে আমরা ২০২২ সালে নিয়েছিলাম। প্রায়শই এমন কিছু ঘটে যা আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। যদি একজন তাঁর বাজারদর পরখ করতে চায় এবং তাহলে তার জন্য় নিলামই সেরা বাজার, তাকে সেই পথ বেছে নিতে দেওয়া সর্বদাই ন্যায্য। কেকেআর সবসময় এটাই বিশ্বাস করেছে এবং খেলোয়াড়দের সমর্থন করেছে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে, শ্রেয়সের সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। কিন্তু এটাও সত্যি যে তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে।’
শ্রেয়স যেমন আছেন পঞ্জাবে
শ্রেয়স কিন্তু ভেঙ্কির সুরে কখনই কথা বলেননি। কলকাতা ছেড়ে পঞ্জাব কিংসে আসার পর থেকেই বিভিন্ন ভাবে তিনি সম্মানের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। জিকিউ-কে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে শ্রেয়স বললেন, ‘একজন অধিনায়ক এবং খেলোয়াড় হিসেবে আমি অনেক কিছু দিতে পারি। যদি আমি সম্মান পাই, তাহলে যে কোনোও কিছু অর্জন করা সম্ভব। পঞ্জাবে এটাই ঘটেছে। তারা আমাকে সবরকম ভাবে সমর্থন করেছে, তা সে কোচ, ম্যানেজমেন্ট বা খেলোয়াড়ই হোক না কেন। আমি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিততে ভারতকে সাহায্য করার পর, আমি উচ্চাকাঙ্ক্ষায় ফিরে আসছিলাম। তাই পঞ্জাব কিংসের সমস্ত স্টেকহোল্ডার আমার কাছ থেকে শুনতে এবং আমাকে অর্থপূর্ণভাবে অবদান রাখতে আগ্রহী ছিল। এর ফলে আমি মাঠে এবং মাঠের বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্তমূলক হতে পেরেছিলাম। আমি ম্যানেজমেন্ট এবং কোচদের সঙ্গে প্রতিটি বৈঠকে ছিলাম, কৌশলগত ভাবে অবদান রেখেছিলাম। এটি এমন কিছু যা আমি ভালোবাসি।”
কেকেআর ছাড়ার প্রসঙ্গে শ্রেয়স
শ্রেয়স কথোপকথনের সময়,কেকেআর ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথাও খুলে বলেন, অভিজ্ঞ ব্যাটার বলেন যে তিনি কলকাতার সঙ্গে পুরোপুরি মিশে ছিলেন না, যেমনটা তিনি পঞ্জাবে আছেন। ‘আমি কেকেআরের কথোপকথনের অংশ ছিলাম, কিন্তু পুরোপুরি দলের সঙ্গে মিশে ছিলাম না। এখন আমি যে অবস্থানে আছি সেখানে আসার জন্য আমাকে আমার পথ ধরে কাজ করতে হয়েছে।’ গৌতম গম্ভীরের পর কেকেআরের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ী অধিনায়কের নাম শ্রেয়স। আইপিএল ২০২৪-এ ১৪ ইনিংসে ৩৫১ রান করেছেন তিনি। শ্রেয়সকে ২০২২ সালের নিলামে ১২.২৫ কোটি টাকায় কেকেআর নিয়েছিল। শ্রেয়স নিজেকে নিলামে তুলেছিলেন। একাধিক টিম তাঁকে নেওয়ার জন্য় ঝাঁপিয়েছিল। একজন দক্ষ মিডল অর্ডার ব্যাটার এবং গেম-চেঞ্জারকে শেষ পর্যন্ত প্রীতি জিন্টার টিম। পঞ্জাব ২৬.৭৫ কোটি টাকায় শ্রেয়সকে দলে নেয়। শ্রেয়সের নেতৃত্বে পঞ্জাব দলকে আইপিএল রানার্সও করে চলতি বছর
(Feed Source: zeenews.com)
