
প্রদ্যুত্ দাস: বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের অতি প্রাচীন জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জের বেলাকোবা শিকারপুরের ঐতিহ্যবাহী দেবী চৌধুরানী ও ভবানী পাঠকের মন্দিরের সৌন্দর্যায়ন কাজ চলছিল জোরকদমে। বুধবার ভার্চুয়ালি সেই মন্দিরের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ি থেকে ভার্চুয়ালি এই মন্দিরের সৌন্দর্যায়নের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই খবরে উচ্ছ্বসিত ‘দেবী চৌধুরানী’ ছবির পরিচালক শুভ্রজিত্ মিত্র।
জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের বেলাকোবা শিকারপুরের ঐতিহ্যবাহী ওই মন্দিরটি তিন শতাধিক বছরের পুরনো। প্রতিদিন অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ ও পর্যটকরা মন্দির দর্শনে আসেন। প্রায় ৭ বছর আগে মন্দিরটি আগুনে পুড়ে যায়। পরবর্তীতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে একই আদলে মন্দির ও মূর্তি তৈরি করা হয়। বিধায়ক খগেশ্বর রায় বলেন, “জি ডি এর পক্ষ থেকে প্রায় ১কোটি টাকা ব্যায়ে মন্দিরের সীমানা প্রাচীর, গেট, সোলার লাইট ও মন্দিরে আসা মানুষদের জন্য বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সীমানা প্রাচীরে চৌধুরানী ও ভবানী পাঠকের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে”। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে মন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠান পুজো অর্চনা শুরু হওয়ার কথা।
এই খবর জানতে পেরে উচ্ছ্বসিত দেবী চৌধুরানী ছবির টিম। এবার দেবীপক্ষে মুক্তি পাচ্ছে দেবী চৌধুরানী। শুভ্রজিত্ মিত্রের এই ছবি ঘিরে প্রথম দিন থেকেই উন্মাদনা রয়েছে সিনেপ্রেমীদের কাছে। দেবী চৌধুরানীর ভূমিকায় দেখা যাবে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে ও ভবানী পাঠকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছবিতে বিশেষ বেশ কিছু চরিত্রে দেখা যাবে বিবৃতি চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন চক্রবর্তী, দর্শনা বণিককে। ইতোমধ্য়েই ছবির প্রচারে সারা বাংলা ঘুরে বেড়াচ্ছে ছবির টিম। পরিচালক শুভ্রজিত্ মিত্র বলেন, “আমি এই দেশমাতৃকার পায়ে অর্পণ করেছি। এটা নারী স্বাধীনতার গল্প, নারী জাগরণের গল্প। গত বছর কালীপুজোর সময়ে আমাদের এই ছবির শ্য়ুটিং শেষ হয়। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর হাতে এই মন্দির সংস্কার হয়ে নতুনভাবে উদঘাটিত হচ্ছে। এই সংযোগ দেখে মনে হয়, মা নিজের কাজ নিজেই করিয়ে নিচ্ছেন, আমরা নিমিত্তমাত্র”।
(Feed Source: zeenews.com)
