
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: শুধু দেশ, এবার বিদেশেও ভারতের তরুণী নির্যাতিত। মার্কিন মুলুকে কুড়ির তরুণীকে গণধর্ষণ। আমেরিকার দুই বর্বর মিলে শিখ তরুণীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, নির্যাতিতাকে বর্ণবাদী মন্তব্য়ও করে তারা।অভিযুক্তরা নির্যাতিতাকে বলে, ‘নিজের দেশে ফিরে যাও।’ ঘটনাটি ঘটে, গত মঙ্গলবার সকালে সাড়ে ৮টার দিকে ওল্ডবেরি টেম রোডের কাছে।
পুলিস ঘটনাটিকে ‘জাতিগত বিদ্বেষমূলক’ অপরাধ বলে মনে করছে। এবং অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে জনসাধারণের সাহায্য চেয়েছে। নির্যাতিতা পুলিসকে জানান যে, গণধর্ষণের পর অভিযুক্তরা তাকে বর্ণবাদী মন্তব্য করে। ইতোমধ্যেই পুলিস ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে এবং জোরকদমে তদন্ত চলছে।
আরও জানা গিয়েছে, দুই অভিযুক্ত ‘শ্বেতাঙ্গ বর্ণের’। একজনের মাথা কামানো এবং তার পরনে ছিল গাঢ় রঙের সোয়েটশার্ট। অন্যজন পরেছিল ধূসর রঙের জামা।
এই ঘটনায় স্থানীয় শিখ সম্প্রদায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। অনেকে এটিকে উদ্দেশ্যমূলক হামলা হিসেবে দেখছেন। একজন স্থানীয় সিনিয়র পুলিস কর্মকর্তা বলেছেন, এই ক্ষোভ ‘সম্পূর্ণ যৌক্তিক’, এবং আশ্বস্ত করেছেন যে তারা ওই এলাকায় পুলিস টহল আরও বাড়ানো হবে।
ব্রিটিশ এমপি প্রীত কৌর গিল এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ‘খোলাখুলি বর্ণবাদ’ যেভাবে বেড়েছে, তা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, ‘এই হামলা চরম সহিংসতার কাজ। এতে জাতিগত বিদ্বেষের উপাদানও ছিল। হামলাকারীরা ক্রমাগত নির্যাতিতাকে বলেছিল, ‘তুমি এখানে থাকার যোগ্য নও।’ অথচ তিনি এখানে থাকার পূর্ণ অধিকার রাখেন। আমাদের শিখ সম্প্রদায়-সহ প্রতিটি মানুষ নিরাপদ, সম্মানিত ও মর্যাদাসম্পন্ন বোধ করার অধিকার রাখে। বর্ণবাদ ও নারী-বিদ্বেষের কোনও স্থান নেই- না ওল্ডবেরিতে, না পুরো ব্রিটেনে।’
(Feed Source: zeenews.com)
