Incense Smoke causing Health Risks: ধুপকাঠির ধোঁয়ায় শান্তি নয়, ফুসফুসে জমছে বিষ! সিগারেটের থেকেও মারাত্মক: রিপোর্ট

Incense Smoke causing Health Risks: ধুপকাঠির ধোঁয়ায় শান্তি নয়, ফুসফুসে জমছে বিষ! সিগারেটের থেকেও মারাত্মক: রিপোর্ট

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বাঙালি ঘরে পুজো-পার্বণ হোক বা প্রতিদিনের প্রার্থনা, ধ্যান কিংবা বাড়িতে শান্ত পরিবেশ তৈরি করতে ধূপকাঠি জ্বালানো একটি চিরাচরিত অভ্যাস। সুগন্ধ মনের প্রশান্তি আনলেও এটির ধোঁয়া যে কতটি হানিকারক, সেই বিষয়েই সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা। সম্প্রতি দেরাদুনের এক পালমোনোলজিস্ট ডা. সোনিয়া গোয়েল ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বার্তায় জানান যে প্রতিদিন ধূপকাঠি জ্বালানো আমাদের ফুসফুসের জন্য ধীরে ধীরে ‘বিষের’ মতো কাজ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, ধূপকাঠির ধোঁয়ায় যে সমস্ত দূষক ছড়ায়, তা অনেকটা প্যাসিভ স্মোকিং এর মতোই ক্ষতিকারক।

ধোঁয়ায় ভরা ঘর মানেই অদৃশ্য বিপদ – 

ধূপকাঠি জ্বালালে যে ধোঁয়া বেরোয়, তাতে থাকে ফাইন পার্টিকুলেট ম্যাটার (PM2.5), কার্বন মনোক্সাইড ও ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ডস (VOCs)। এগুলি মিশে যায় ঘরের বাতাসে এবং তাকে দূষিত করে তোলে। বিশেষ করে বন্ধ ঘরে এই ধোঁয়া দ্রুত জমে গিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়াকে বিপজ্জনক করে তোলে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, একটি ধূপকাঠি জ্বালালে যতটা কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয়, তা একটিমাত্র সিগারেট থেকে বের হওয়া দূষণের সমান। অর্থাৎ প্রতিদিন বাড়িতে ধূপকাঠি জ্বালানো মানেই ধীরে ধীরে সিগারেটের ধোঁয়ার মতোই ক্ষতির শিকার হওয়া।

কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন?-

বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোটো শিশু, বয়স্ক ও যাদের হাঁপানি বা ফুসফুস দুর্বল, তাদের জন্য ধূপকাঠির ধোঁয়া বেশি ক্ষতিকর। এমনকি মাঝে মধ্যে ধোঁয়া শ্বাসে গেলে হতে পারে অ্যালার্জি, ক্রনিক কাশি, শ্বাসকষ্ট কিংবা ফুসফুসে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা।

দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের সমস্যা-

নিয়মিত ধূপকাঠির ধোঁয়ায় শ্বাস নিলে হতে পারে ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, সিওপিডি এমনকি ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে, বিশেষ করে যদি ঘরে বাতাস চলাচল না করে। তবে ডা. গোয়েল জানিয়েছেন, মাঝে মধ্যে ঘরের জানালা খোলা রেখে বা ফ্যান চালিয়ে ধূপকাঠি জ্বালালে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। মূল বিষয় হল পরিষ্কার বাতাসের প্রবাহ বজায় রাখা।

ডাক্তারের পরামর্শ-

ধূপকাঠির নিরাপদ বিকল্প হতে পারে এসেনশিয়াল অয়েল ডিফিউজার, ইলেকট্রিক প্রদীপ বা ঘরে প্রাকৃতিক সূর্যের আলো প্রবাহিত হতে দেওয়া। এগুলো ফুসফুসকে ক্ষতি না করে আধ্যাত্মিক অর্থও বহন করবে।

(Feed Source: zeenews.com)