
বিস্তীর্ন অঞ্চলে জলাভুমি ভরাটের অভিযোগ
২০১১ সালের ৬ মে খুন হন বালির তৃণমূল নেতা তপন দত্ত। হাওড়া সহ বিস্তীর্ন অঞ্চলে জলাভুমি ভরাটের অভিযোগ ছিল। আর সেই ঘটনায় লাগাতার আন্দোলন করে আসছিলেন। আর এরপরেই রহস্যজনক ভাবে খুন হতেই হয় বালি’র এই তৃণমূল নেতাকে। সেই ঘটনায় সেই সময়ে তীব্র আলোড়ন পড়ে যান রাজ্য-রাজনীতিতে। ঘটনার তদন্তভার শুরু করে সিআইডি। তদন্তভার শুরু করলেও তাতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছেন প্রয়াত নেতার স্ত্রী প্রতিমা দত্ত।

দলেরই একাংশ জড়িত বলে অভিযোগ
তাঁর অভিযোগ ছিল, একেবারে ষড়যন্ত্র করেই খুন করা হয় তপন দত্তকে। এমনকি এই ঘটনায় দলেরই একাংশ জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর সিআইডি ২০১১ সালে অগাস্ট মাসে চার্জেশিট জমা দেয়। আর তাতে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বর্তমানে মন্ত্রী অরূপ রায় সহ মোট ১৩ জনের নাম ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে অরূপবাবু সহ বেশ কয়েকজনের নাম বাদ যায়। কেন বাদ এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায় না। এই অবস্থায় আইনি লড়াই জারি রাখেন স্ত্রী প্রতিমা। এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হন তিনি।

সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়
আর সেই মামলাতে সপ্তাহখানেক আগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। যদিও পরবর্তীকালে এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলাও করেন অন্যতম অভিযুক্ত ও তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সম্পাদক ষষ্ঠী গায়েন। যদিও সেই মামলাতে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। আর এরপরেই সিবিআইয়ের তরফে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে। পুরো বিষয়টি নিয়ে সিআইডি;র কাছ থেকে তথ্য চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, সিআইডির থেকে এফআইআর-এর কপিও চান তাঁরা।

আশায় বুক বাঁধছেন প্রতিমা দত্ত।
সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেই এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের। খুন সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে খবর। তবে সিবিআইয়ের এহেন তৎপরতায় আশায় বুক বাঁধছেন প্রতিমা দত্ত। সঠিক বিচার হবে অপরাধীরা সাজা পাবে বলে আশাবাদী তিনি। অন্যদিকে প্রতিহিংসা করা হতে পারে বলে আশঙ্কায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, ইডি-সিবিআইকে ব্যবহার করছে মোদী সরকার। তা দেখা যাচ্ছে। সেটা যাতে না করা হয় সেটাই দাবি শাসকের।
(Source: oneindia.com)
