PoK Agitation: বিক্ষোভে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, বন্ধ ইন্টারনেট-মোবাইল ফোন, সেনার গুলিতে হত ১২

PoK Agitation: বিক্ষোভে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, বন্ধ ইন্টারনেট-মোবাইল ফোন, সেনার গুলিতে হত ১২

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: নাগরিক হিসেবে মৌলিক অধিকার, সেনার দমনপীড়ন বন্ধ-সহ ৩৮ দফা দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর। সেনা নামিয়ে সেখানে সাধারণ নাগরিকদের হত্যা করছে পাকিস্তান। পাশাপাশি পুলিসের উপরেও চড়াও হচ্ছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষজন। এখনওপর্য়ন্ত পাক সেনা ও পুলিসের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। আহত ২০০ জন। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে পাকিস্তানের। কারণ প্রতিদিনই বিক্ষোভ ছড়াচ্ছে গোটা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে।

স্থানীয় মানুষজনের বক্তব্য, ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে মুজাফফরাবাদে, ৫ জন ধীরকোটে এবং ২ জনের মৃত্য়ু হয়েছে ডাডিয়ালে। মানুষের রোষে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। আহত ৯ জন। অনেকেরই আঘাত গুরুতর। কারও কারও শরীরে গুলির আঘাত রয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে উপত্যকাজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকে দৈনিক বিক্ষোভের খবর প্রকাশে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ। বিক্ষোভকারী আসাদ তাব্বাসুম বলেন, ‘এখানকার রাজনীতিকরা গ্যাংস্টারের মতো আমাদের মাথার ওপর শাসন চালাচ্ছে। আমরা তাদের বিদায় চাই, তাদের এই সুবিধাগুলো বাতিল চাই। বিক্ষোভ ঠেকাতে মুজাফফরাবাদের রাস্তায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ভিড় সামলাতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। একসময় বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছয় হাজারে পৌঁছায়।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় সোমবার, যখন মুজাফফরাবাদ ও আশপাশের শহর থেকে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নামে। বিক্ষোভ ঠেকাতে গেলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর থেকেই পুরো অঞ্চলে মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ, ফলে বাইরের দুনিয়া পরিস্থিতির পূর্ণ চিত্র জানতে পারছে না।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বিক্ষোভ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তা শান্ত করতে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন। এছাড়া রাজনীতিবিদদের নিয়ে পৃথক একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সরকার কাশ্মীরিদের সমস্যা সমাধানে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

(Feed Source: zeenews.com)