
তিনি টলিউড বক্স অফিসের ‘রাজার রাজা’ তা নিয়ে বিন্দুবিসর্গ সন্দেহ নেই। ফের ব্লকবাস্টারের হ্যাটট্রিক সেরে ফেললেন দেব। নিন্দকরা তাঁর অভিনয় দক্ষতা নিয়ে যাই বলুক না কেন, বিরোধী শিবির তাঁর ছবির প্রচার কৌশলকে যতই কটাক্ষ করুক না কেন, হলে দর্শক টানতে দেবের বিকল্প বর্তমানে টলিউডের কাছে নেই।
খাদান, ধূমকেতুর পর রঘু ডাকাতের রমরমা বক্স অফিস জুড়ে। মহানবমীর পর দশমীর দিনও সিনেমাহল-মাল্টিপ্লেক্সে বাঙালি দর্শক ভিড় জমাল দেবের রঘু ডাকাত দেখতে। গত ৭দিনে রঘু ডাকাতের আয়ের গ্রাফ উর্ধ্বমুখী।
sacnilk.com-এর ডেটা অনুসারে অষ্টমীর দিন রঘু ডাকাতের টিকিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৭ লক্ষর আশেপাশে। নবমীতে তা দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ। দশমীর দিনও সেই ট্রেন্ড বজায় রইল। প্রাথমিক তথ্য বলছে অষ্টম দিনেও পরিচালক ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির আয় ১ কোটির গণ্ডি পার করে ফেলেছে অর্থাৎ পরপর তিন-দিন কোটির ঘরে রঘু ডাকাত। একইসঙ্গে হেলায় ৫ কোটির গণ্ডি পার করে ফেলেছে এই ছবি।
প্রথম সাত দিনে ছবির আয় দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা। তবে ছবির আয় নিয়ে মুখে কুলুপ প্রযোজনা সংস্থার। অন্যদিকে উইন্ডোজের ছবির রক্তবীজ ২ দশমীর দিনে ৫৫ লক্ষ টাকার আশেপাশে আয় করেছে বলছে sacnilk.com-এর রিপোর্ট। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত এই ছবির ব্যবসার পরিমাণ ২ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ রঘু ডাকাতের ধারে কাছে ঘেঁষতে পারেনি শিবপ্রসাদ-নন্দিতার ছবি।
অথচ, মুক্তির আগে থেকে এই দুই ছবি ঘিরে সমাজমাধ্যমে কুৎসার বানভাসি। ‘রঘু ডাকাত’ দেব নাকি ‘মাফিয়া কার্ড’-এর জোরে প্রেক্ষাগৃহ দখল করেছেন, এমনও অভিযোগ ধেয়ে এসেছে।
প্রতিযোগিতায় না থাকলেও পুজোর মরসুমে ভাল ফল করছে শুভ্রজিৎ মিত্রর ‘দেবী চৌধুরাণী’ এবং অনীক দত্তর ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’ ছবিদুটোও। রক্তবীজ ২-এর প্রচারে সামিল হওয়ায় অনীক দত্তরের ছবি থেকে মুখ ফিরিয়েছেন আবির। তবে যত কাণ্ড কলকাতায় দর্শক মনে জায়গা পেয়েছে।
এক নজরে রঘু ডাকাতের আয়-
বৃহস্পতিবার (প্রথম দিন)- ৪৫ লক্ষ টাকা
শুক্রবার (দ্বিতীয় দিন)- ৩৭ লক্ষ টাকা
শনিবার (তৃতীয় দিন)- ৫০ লক্ষ টাকা
রবিবার (চতুর্থ দিন)- ৬৩ লক্ষ টাকা
সোমবার (পঞ্চম দিন)- ৮৪ লক্ষ টাকা
মঙ্গলবার (ষষ্ঠ দিন)- ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা
বুধবার (সপ্তম দিন)- ১ কোটি ২ লক্ষ
(* এই তথ্য sacnilk.com-এর ডেটা অনুসারে)
দেব-শুভশ্রী জুটির ধূমকেতুর তুলনায় খানিক পিছিয়ে শুরু করেছিল দেবের রঘু ডাকাত। তবে পুজোর আবহে ক্রমেই উর্ধ্বমুখী দেবের ছবির ব্যবসা। রঘু ডাকাতের এই দৌড় কোথায় গিয়ে শেষ হয়, এখন সেটাই দেখবার।
(Feed Source: hindustantimes.com)
