
Extra Marital Affair: গুজরাতের আহমেদাবাদে প্রেমের এক বেনজির ঘটনা সামনে এসেছে যা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে আগুনের মতো। স্বামীকে ছেড়ে এমন এক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে ভাসলেন স্ত্রী যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে আপনারও।
গুজরাতের আহমেদাবাদে প্রেমের এক বেনজির ঘটনা সামনে এসেছে যা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে আগুনের মতো। স্বামীকে ছেড়ে এমন এক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে ভাসলেন স্ত্রী যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে আপনারও।
আজকাল পরকীয়া প্রেমের নানা ঘটনা প্রায়ই সামনে উঠে আসে। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের একাধিক ঘটনা প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় ফেলে। এমনই একটি ঘটনা বর্তমানে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে যা শুনলে বিশ্বাস করা কঠিন।
বিবাহিত এই মহিলার ২ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু ভালোবাসা ও সম্পর্কের টানাপোড়েনে একটা সময় স্বামীকে ছেড়ে নতুন পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গের সম্পর্কে জড়ান ওই মহিলা। কিন্তু গল্পের ট্যুইস্ট অন্য জায়গায়। যা ভয়ঙ্কর দিকে ঠেলে দেয় তাঁকে। ঠিক কী ঘটেছিল?
একজন নন, একইসঙ্গে দু-দুজন পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন এই মহিলা। সূত্রের খবর, একই সময়ে তার দুজন পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সম্পর্কের পরিণতি হয় ভয়াবহ। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছে গুজরাতের এই মর্মান্তিক ঘটনা।
ঘটনাটি আহমেদাবাদ জেলার সানন্দ তালুকের লোদরিয়ার গ্রামের। গ্রামের একটি বাড়িতে বেশ কিছুদিন ভাড়া থাকছিল রণচোদ পারমার নামের এক যুবক। বেসরকারি চাকরিরত যুবক প্রায় ২০ দিন যাবৎ ওই গ্রামেরই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকছিল। সূত্রের খবর সম্প্রতি তাঁরই সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন এক বিবাহিত তরুণী।
রণচোদও বিবাহিত হলেও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সম্প্রতি তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল। আদালতে বিচারাধীন ছিল ডিভোর্সের মামলা। কিন্তু এরইমধ্যে চুটিয়ে প্রেম চলছিল ওই বিবাহিত তরুণীর। শুধু বিবাহিতই নয়, দুই বছরের একটি কন্যা সন্তানও ছিল ওই তরুণীর।
প্রেম এতটাই গভীর হয় যে একসময় মেয়েকে নিয়ে রনচোদের ভাড়া বাড়িতে এসে উঠেছিলেন ওই মহিলা। তারপরই ঘটে যায় হাড়হিম করা ঘটনা।
রাতেই, ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তিনজনের মৃতদেহ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল। ছাড় পায়নি মাত্র দু’বছরের মেয়েটিও। ঠিক কী ঘটেছিল সেই রাতে?
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৮ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোট খুঁজে পেয়েছে, যেখানে রণচোদ পুরো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে। যা এমনকি পুলিশ কর্তাদেরও চোখ কপালে তুলে দিয়েছে।
রণচোদ তাঁর সুইসাইড নোটে লিখেছেন, তাঁর বান্ধবীর অপর একজনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। লোকটি তাকে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছিল। সে চাপ এবং অপমান সহ্য করতে পারছিল না। এই রাগ এবং মানসিক চাপের কারণেই সে প্রথমে তার বান্ধবী এবং তার সন্তানকে হত্যা করে এবং তারপর নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
পুলিশ সুইসাইড নোটটি উদ্ধার করেছে এবং হাতের লেখা পরীক্ষা করছে। নোটে উল্লেখিত বিষয়গুলিও তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যা এবং আত্মহত্যার ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। তিনজনেরই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
(Feed Source: news18.com)
