
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অভিমন্যু ঈশ্বরণের (Abhimanyu Easwaran) বাংলা উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে (Bengal vs Uttarakhand, Elite Group C), নিজেদের ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Gardens, Kolkata) চলতি রঞ্জি মরসুমের (Ranji Trophy2025-26) প্রথম ম্যাচে নেমে পড়েছে। সকলের ফোকাসেই একজন, তিনি মহম্মদ শামি (Mohammed Shami), জাতীয় দলের ব্রাত্য সুপারস্টার। সারা দেশ যাঁকে চেনে একডাকে। ফিটনেস ইস্যুতে বাংলার হয়ে প্রথম ম্যাচে তাঁর নামা নিয়ে সন্দেহ ছিল। কিন্তু শামি যাবতীয় জল্পনা মাঠের বাইরে রেখেই বাংলার হয়ে নেমে পড়েছেন। এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত ৩ মেডেন-সহ ১০ ওভার বল করে ২৭ রান দিয়েছেন।
জাতীয় দলে বারবার ব্রাত্য শামি!
শামি কেন জাতীয় দলে বঞ্চিত! তাঁর ফিটনেস নিয়ে ঠিক কী সমস্যা? যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর অজিত আগরকরের নির্বাচক কমিটিই একমাত্র দিতে পারবে। তবে উত্তরপ্রদেশের আমরোহার ৩৫ বছরের পেসার যা বলার বলে দিলেন। আর তাতেই মোটামুটি নড়িয়ে দিলেন ভারতীয় ক্রিকেট। গত মার্চে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিই ছিল শামির শেষ আন্তর্জাতিক অ্যাসাইনমেন্ট। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে (India vs England) অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফিতেও শামি জায়গা পাননি। সেই সময়ে মিডিয়াতে লেখা হয়েছিল, যে ইংরেজদের বিরুদ্ধে দল নির্বাচনের আগে আগরকরের নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই নির্বাচক কমিটি, শামির সঙ্গে নাকি পরামর্শও করেছিল। তবে শামি নিজে তাঁর ফিটনেস নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের পাঁচ ম্যাচের সিরিজেও শামি ছিলেন না। সেবারও ইংল্যান্ডের মতোই ফিটনেস নিয়ে সন্দিহান ছিলেন তিনি। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ওডিআই এবং টি-টোয়েন্টিআই স্কোয়াডেও রাখা হয়নি শামিকে! এমনকী এশিয়া কাপেও ছিলেন না শামি।
শামির তোপ নির্বাচকদের
ইডেনে নামার আগে শামি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপের পর থেকেই শামিকে ভোগাচ্ছে হাঁটুর চোট। শামিকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআই লিখেছে, ‘দেখুন আমি আগেও বলেছি। আবার আপনাদের বলছি, ভারতীয় দল নির্বাচন আমার হাতে নেই। যদি ফিটনেসের সমস্যাই থাকত, তাহলে আমি এখানে বাংলার হয়ে খেলতাম না। আমার মনে হয় এই বিষয়ে কথা বলে বিতর্ক তৈরি করার দরকার নেই। যদি আমি চারদিনের রঞ্জি ট্রফি খেলতে পারি, তাহলে ওডিআই খেলতে পারব না? আর ফিটনেস নিয়ে নির্বাচকদের আপডেট দেওয়া বা নেওয়া আমার কাজ নয়। আমার কাজ এনসিএ-তে যাওয়া, প্রস্তুতি নেওয়া এবং ম্যাচ খেলা। আর ওরা নির্বাচকদের আপডেট দেবে কি দেবে না তা নিয়ে আমি আর কী বলব!’
শামির কাছে সবার আগে দেশ
আমি সবসময় বলি যে, দেশের জন্য সেরা দলই বেছে নেওয়া উচিত। এটা দেশের ব্যাপার। দেশ জিতবে। আমাদের সকলের খুশি হওয়া উচিত। আমায় লড়াই চালিয়ে যেতে হবে, খেলা চালিয়ে যেতে হবে। যদি আমি ভালো পারফর্ম করি, তাহলে আমারও লাভ হবে। নির্বাচন আমার হাতে নেই। আমি কেবল প্রস্তুতি নিতে পারি এবং ম্যাচ খেলতে পারি। আমাকে দলে নির্বাচন না করলে আমার কোনও আপত্তি নেই। তাহলে আমি এখানে এসে বাংলার হয়ে খেলব। তাতে কোনও সমস্যা নেই।’ শামি আবারও বুঝিয়ে দিলেন যে, তাঁর কাছে দেশই সবার আগে, সে তাঁকে যতই না দলের বাইরে থাকতে হোক।
(Feed Source: zeenews.com)
