
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: হস্টেলে থাকতে থাকতে মনখারাপ। ৯ বছরের শিশু তাই ‘ভুল করে’ ফোন করে ফেলেছিল তার ঠাকুরমাকে। আর সেই ‘অপরাধে’ তাকে নির্মম প্রহার করলেন আবাসিক স্কুলের শিক্ষক। মাটিতে ফেলে পেটে লাথি মারলেন। নির্মমভাবে মারলেন লাঠি দিয়েও। ভয়ংকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দক্ষিণরাজ্য কর্নাটকের চিত্রদুর্গা জেলার একটি আবাসিক স্কুলে।
চিত্রদুর্গার নয়াকানহাট্টিতে হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও দাতব্য দান বিভাগ পরিচালিত সংস্কৃত বেদধ্যায়ণ আবাসিক স্কুলের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছিল অনেক আগে। এই বছর ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু সম্প্রতি ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে। আর তাতেই শুরু হয়ে গিয়েছে হইচই। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম বীরেশ হিরেমথ। অভিযোগ, ৯ বছরের ওই শিশুটি বাড়িতে তার ঠাকুরমাকে ফোন করায়, অভিযুক্ত শিক্ষক বীরেশ হিরেমথ তাকে নির্মমভাবে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এমনকি মাটিতে ফেলে দিয়ে পেটেও লাথি মারেন।
স্কুলের অন্য এক ছাত্রের তোলা ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, অভিযুক্ত শিক্ষক বীরেশ হিরেমথ প্রথমে ওই শিশুটিকে লাঠি দিয়ে আঘাত করছেন। তারপর তিন হুমকি দিয়ে বলছেন, “আবার যদি অন্য কোনও নম্বর থেকে ফোন করিস, তাহলে আর তোকে আর বাঁচতে দেব না।” এরপর ওই শিক্ষক শিশুটিকে মাটিতে ফেলে পেটে লাথি মারেন। ভিডিয়োটি ভাইরাল হওয়ার পরই অভিযুক্ত বীরেশ হিরেমথ নিখোঁজ হয়ে যান।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিস। তারপর পুলিস ফেরার বীরেশ হিরেমথকে কালাবুর্গী থেকে খুঁজে বের করে চিত্রদুর্গে নিয়ে আসে ও গ্রেফতার করে। তাঁকে চাকরি থেকেও বরখাস্ত করা হয়েছে। ওদিকে এই ঘটনায় আবাসিক স্কুলটিতে ছাত্রসংখ্যা ৩০ থেকে কমে ৪-এ দাঁড়ায়। তাদের সবাইকেই এখন জেলা শিশুকল্যাণ দফতরের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
