Lakshman Jhula: লক্ষ্মণ ঝুলার বদলে এবার নতুন কাচের সেতু! নীচে তাকালেই গঙ্গা…কবে থেকে খুলবে এই নতুন ব্রিজ জানেন?

Lakshman Jhula: লক্ষ্মণ ঝুলার বদলে এবার নতুন কাচের সেতু! নীচে তাকালেই গঙ্গা…কবে থেকে খুলবে এই নতুন ব্রিজ জানেন?

Lakshman Jhula: উত্তরাখণ্ডের হৃষিকেশে শুরু হতে চলেছে পর্যটনের নতুন অধ‍্যায়। ঐতিহাসিক লক্ষ্মণ ঝুলার পাশেই তৈরি হবে অত‍্যাধুনিক কাচের সেতু।

লক্ষ্ণণ ঝুলার বদলে এবার নতুন কাচের সেতু! নীচে তাকালেই গঙ্গা…কবে থেকে খুলবে এই নতুন ব্রিজ জানেন?

হৃষিকেশ: উত্তরাখণ্ডের হৃষিকেশে শুরু হতে চলেছে পর্যটনের নতুন অধ‍্যায়। ঐতিহাসিক লক্ষ্মণ ঝুলার পাশেই তৈরি হবে অত‍্যাধুনিক কাচের সেতু। সূত্রের খবর, এই নতুন সেতুর নাম হতে চলেছে ‘বজরং সেতু’। গঙ্গার উপর পারাপারের এবার একেবারে অন‍্যরকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে চলেছে পর্যটকরা।

জানা গিয়েছে, প্রায় ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে তৈরি হচ্ছে এই সেতু। যে স্থানে লক্ষ্মণ ঝুলা রয়েছে, সেই স্থানেই গড়ে উঠছে এই সেতু। প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে, বজরং সেতু ১৩২ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮ মিটার প্রস্থে প্রসারিত। উন্নত ডিজাইনে এটিকে এমনভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে যাতে তা যথেষ্ঠ ভার বহন করতে সক্ষম হয়। এর স্থাপত‍্য টাওয়ারগুলির অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে পবিত্র কেদারনাথ মন্দির থেকে। প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্প্নন হয়েছে বজরং সেতুর। তবে কাঁচ বসানোর কাজ এখনও খানিকটা বাকি রয়েছে।

সেতুর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশগুলির মধ্যে একটি হবে এর কাঁচের ওয়াকওয়ে, যা উভয় পাশে ১.৫ মিটার প্রশস্ত এবং ৬৬-মিমি-ঘনত্বের শক্তিশালী কাঁচ দিয়ে তৈরি। তাদের উপর দাঁড়িয়ে, দর্শকরা তাদের পায়ের ঠিক নিচে গঙ্গা প্রবাহিত দেখতে পাবেন। মাঝের লেনটি দিয়ে চলাচল করতে পারবে দু’চাকার যানবাহন। পথচারীরা নিরাপদে উভয় পাশে হাঁটতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, বয়সের ভারে ধীরে ধীরে খারাপ হয়ে পড়েছে ঐতিহাসিক এবং ঐতিহ‍্যবাহী লক্ষ্মণ ঝুলা সেতু। ১৯২৯ সালে নির্মিত সুপ্রাচীন এই সেতু কেবলমাত্র পর্যটনের জন‍্য নয় তীর্থযাত্রীদের জন‍্যেও একটি পবিত্র জায়গা, বিশ্বাসের প্রতীক। কিন্তু কয়েক দশক ব্যবহারের পর এবং ক্রমবর্ধমান ভিড়ের পর বিশেষজ্ঞদের মতে কাঠামোটি আর বেশিদিন নিরাপদ নয় যাতায়াতের জন‍্য।

তাই কর্তৃপক্ষ এটিকে ট্রাফিকের জন্য বন্ধ করার এবং একটি আধুনিক প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বজরং সেতুর নির্মাণ ২০২২ সালে শুরু হয়েছিল এবং এখন প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। সেতুটি সম্ভবত ডিসেম্বর ২০২৫ সালের মধ্যে প্রস্তুত হবে এবং ২০২৬ সালের শুরুর দিকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে।

(Feed Source: news18.com)