
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নিষ্ফলা কলকাতা ডার্বি। গোয়ার মাটিতে গোল করতে পারল না কোনওপক্ষই। মোহনবাগানের সঙ্গে ড্র করে সুপার কাপের সেমিফাইনালে চলে গেল ইস্টবেঙ্গল। গোল পার্থক্যে ছিটকে গেল সবুজ-মেরুন বাহিনী।
সুপার কাপ থেকে বিদায় নিল আইএফ শিল্ড চ্যাম্পিয়নরা। গোল পার্থক্য়ে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। ফলে ডার্বিতে ড্র করতে পারলেই সেমিফাইনালে চলে যেত অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা। কিন্তু নক আউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে মোহনবাগানের কাছে এই ম্যাচ ছিল কার্যত সেমিফাইনাল। কেমন খেলা হল? প্রথমার্ধে দাপট ছিল ইস্টবেঙ্গলেরই। বস্তুত, ভাগ্য ভালো থাকলে এগিয়েও যেতে পারত তারা। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ভালো খেলেছে মোহনবাগান। আক্রমণের নিরিখে এগিয়েছিলেন শুভাশিস বোসরাই। কিন্তু গোল করতে পারল না হোসে মোলিনার ছেলেরা।
এদিন জেতা ছাড়়া আর কোনও রাস্তা ছিল না। অথচ এক স্ট্রাইকারে খেলল মোহনবাগান! সামনে শুধু ম্যাকলারেন। তাঁকে আবার রীতিমতো বোতলবন্দি করে রেখেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডাররা। প্রথমে দলে ছিলেন না কামিংস, দিমিত্রি পেত্রাতোস, রবসন রোবিনহোদের। ম্য়াচের একদম অন্তিম লগ্নে অবশ্য কামিংস, পেত্রাতোস, রবসনকে নামান মোলিনা।
এদিকে ইস্টবেঙ্গলের খেলায় বৈচিত্র্য ছিল চোখের পড়ার মতো। দুই প্রান্ত বরাবর লাগাতার আক্রমণ, মাঝমাঠেও দাপট দেখাচ্ছিলেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা। ২৪ মিনিটের মাথায় মিগুয়েলের ক্রসে হেড করেন বিপিন সিংহ। বল বারে লেগে বেরিয়ে যায়। নইলে এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। আর মোহনবাগানে খেলা শেষ হয়ে যাচ্ছিল মাঝমাঠেই। দু’একবার যে তারা প্রতি আক্রমণে আসেনি, এমন নয়। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল কিছুটা ডিফেন্সিভ হতেই মোহনবাগানের আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ে কিছুটা। কিন্তু গোল আসেনি।
(Feed Source: zeenews.com)
