Delhi Blast: পাগলের মতো ফোন করে গিয়েছি, একবারও ধরল না! ধরলে বেঁচে যেত গো… দীনেশের বাবা কাঁদছেন অঝোরে…

Delhi Blast: পাগলের মতো ফোন করে গিয়েছি, একবারও ধরল না! ধরলে বেঁচে যেত গো… দীনেশের বাবা কাঁদছেন অঝোরে…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাজধানী দিল্লির রেড ফোর্ট সংলগ্ন এলাকায় সোমবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন এক শ্রমজীবী ভারতীয় নাগরিক। বিস্ফোরণ পর তিনি তাঁর তিন ছেলের মধ্যে এক ছেলের কোনো উত্তর পাননি। পরে জানতে পারা যায় ওই এক ছেলে দীনেশ বিস্ফোরণে বলি।

ছেলেটির বাবা বলছেন, ‘আমি সন্ধ্যায় খবর দেখে এবং ধ্বংসের শব্দ শুনে ছেলেদের নম্বরে ফোন করেছিলাম, কিন্তু দুই ছেলে ফোন ধরলেও একমাত্র দীনেশের ফোন অফ ছিল। তারপর পরবর্তীতে তাঁরা জানতে পারেন দীনেশ মেশিন বিক্রেতার দোকানে চাকরি করছিলেন ও ওই সন্ধ্যায় চাঁদনীচক এলাকায় ছিল। বিস্ফোরণের সময়ই সে প্রাণ হারায়ে।’

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় ‘নেতাজি সুভাষ মার্গ’ সংলগ্ন এলাকায় একটি যানবাহনে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটলে কমপক্ষে ৯ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন। দীর্ঘদিন ধরে দিল্লিতে কাজ করে আসা দীনেশ ছিলেন সেই ভুক্তভোগীর এক। হাসপাতালের করিডরে কান্না ও চিৎকারের মধ্যে পরিচিতেরা মৃতদেহ ও নিখোঁজদের খুঁজে ফিরছেন।

পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বিস্ফোরণটি এক স্পষ্ট সন্ত্রাসবাদী হুমকির প্রেক্ষাপটে ঘটেছে, যা নিউ দিল্লির নিরাপত্তাজনিত ভাবনায় বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। মৃত ও আহতদের অধিকাংশই সাধারণ মানুষ কেউ কর্মী, গাড়িচালক ও শ্রমজীবী। এক উদ্ধারকর্মীর মতে, ‘চিহ্ন ও ধ্বংসের অবস্থা এত ভয়ংকর ছিল যে অনেক দেহ গায়েব ছিল বা খুব ক্ষতিগ্রস্ত ছিল।’

ভূরে মিশ্রা অর্থাৎ মৃতের বাবা আরও বলেন, ‘আমার ছেলে ঠিকই ছিল, ফোনে ধরেনি বলেই এতো বড় ক্ষতি।’ এই ধরনের এক ফোন সাড়া না পাওয়া মুহূর্তটাই বদলে দেয় বহু পরিবারের ভাগ্য।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের হামলা সাধারণ মানুষের জীবনের মাঝখানে এসে পড়েছে। এর ফলে নিরাপত্তা গোয়েন্দা ক্ষেত্রে নানাভাবে তৈরি হয় নতুন চ্যালেঞ্জ।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বলা হয়েছে,’এই ধরণের ঘটনা দেশের নিরাপত্তার বড় পরীক্ষা।’ উচ্চ পর্যায়ে নিরাপত্তা সীমা বাড়ানো হয়েছে এবং দুই শহরের রাস্তায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

(Feed Source: zeenews.com)