প্রাথমিকের ৩২০০০ চাকরি বাতিল মামলা…! ‘অনিয়ম শুধু ৩৬০ নিয়োগে’, তথ্য দিয়ে দুর্নীতি তত্ত্ব ওড়ালো রাজ্য

প্রাথমিকের ৩২০০০ চাকরি বাতিল মামলা…! ‘অনিয়ম শুধু ৩৬০ নিয়োগে’, তথ্য দিয়ে দুর্নীতি তত্ত্ব ওড়ালো রাজ্য

Primary Teacher Recuitment Scam: প্রাথমিক ৩২০০০ চাকরি বাতিল মামলার শুনানিতে রীতিমতো তথ্য দিয়ে দুর্নীতি তত্ত্ব ওড়ালো রাজ্য। ‘অনিয়ম শুধু ৩৬০টি নিয়োগে। সিবিআই তদন্ত শেষে এমনই দাবি করেছে রাজ্য। রাজ্যের তরফে দাবি, “এইটুকুর জন্য ৩২০০০ চাকরি বাতিল হয়েছে। আর এটাকেই দুর্নীতি দুর্নীতি বলে চিৎকার করা হচ্ছে।”

প্রাথমিক ৩২০০০ চাকরি বাতিল মামলার শুনানিতে রীতিমতো তথ্য দিয়ে দুর্নীতি তত্ত্ব ওড়ালো রাজ্য। ‘অনিয়ম শুধু ৩৬০টি নিয়োগে। সিবিআই তদন্ত শেষে এমনই দাবি করেছে রাজ্য। রাজ্যের তরফে দাবি, “এইটুকুর জন্য ৩২০০০ চাকরি বাতিল হয়েছে। আর এটাকেই দুর্নীতি দুর্নীতি বলে চিৎকার করা হচ্ছে।”

রাজ্যের তরফে বলা হয়, ২৬৪ জন প্রশিক্ষিতের টেট উত্তীর্ণ মার্কস নিয়ে ত্রুটি আর ৯৬ জন প্রশিক্ষিতর চাকরি বাতিল করে বোর্ড নিজেই। ৯৬টি চাকরির সুপারিশ ছিল না বোর্ডের।

একইসঙ্গে রাজ্যের দাবি, এস বসু রায় কোম্পানি বোর্ডের হয়ে কার্যত ছাপাখানার(প্রিন্টিং) কাজ করেছে। পরীক্ষার্থীদের নম্বর দিয়েছে পরীক্ষকেরা। সেই নম্বর বা ডেটাগুলো প্রিন্টিং এর কাজ করেছে এস বসু রায় কোম্পানি।

রাজ্যের দাবি, “২০১৬ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সংশোধিত আইন অনুযায়ী চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি করেছে বোর্ড। জেলা প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলগুলি সেই তালিকা বোর্ডের কাছ থেকে পেয়ে জেলাভিত্তিক ফল প্রকাশ করেছে। কোথাও দুর্নীতি হয়নি।”

মামলায় রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করে অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন, “কিছু পদ্ধতিগত ত্রুটি বা অনিয়ম ছিল যা শুধরে নেওয়া হয়।

৯৬ জন প্রশিক্ষিতের চাকরি বাতিল কেন করতে হল? পাল্টা প্রশ্ন করেন বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী। অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত উত্তরে জানান, ওই ৯৬টি চাকরির সুপারিশ করেনি বোর্ড তাই বাতিল করা হয়।

(Feed Source: news18.com)