
কলকাতা: সোমবার রাতে সুনহেরি মসজিদের কাছে লালকেল্লার সামনে (Delhi Blast) ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে রাজধানী নয়াদিল্লি। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৩। আহত ২৬। বেশিরভাগ মৃতদেহই ছিন্নভিন্ন। ছয় জনের দেহ শনাক্ত করা গিয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্কিত, শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ নিয়ে এবার শোকবার্তা দিলেন ভারতীয় অধিনায়ক শুভমন গিল (Shubman Gill)।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শুভমন গিল লেখেন, ‘লালকেল্লায় দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় আমি ভীষণভাবে বিরক্ত। যারা যারা এই ঘটনায় আহত হয়েছেন, তাদের সকলের প্রতি আমার সমবেদনা। শান্তি, সুরক্ষা আর সকলের জন্য শক্তি প্রার্থনা করছি।’ দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট খেলতে এই মুহূর্তে কলকাতায় ভারতীয় ক্রিকেট দল। তাই দলের সঙ্গে এই মুহূর্তে শহরেই রয়েছেন গিল। রয়েছেন গৌতম গম্ভীরও।
শুভমনের মতোই ভারতীয় দলের কোচও নিজের সোশ্য়াল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘দিল্লিতে বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’ গম্ভীরের প্রাক্তন সতীর্থ তথা প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার শিখর ধবন এক বার্তায় জানিয়েছেন, ‘দিল্লিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রয়াতদের পরিবারের প্রতি শোকজ্ঞাপন করছি। তাঁদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। এছাড়া যাঁরা গুরুতর আহত হয়েছেন, তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’
এই আবহে অবশ্য কলকাতায় এসে কালীঘাটে পুজো দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেননি গম্ভীর। গম্ভীর এ রাজ্যে আসলে প্রায়শই কীলাঘাটে পুজো দিতে যান। এবারও তাঁর অন্যথা হল না। বিকেলে ঠিক চারটের পর ভারতীয় দলের প্রধান কোচ টিম হোটেল থেকে বের হন। কালীঘাটে মায়ের মন্দিরে প্রণাম করা, পুজো দেওয়ার জন্য রওনা দেন তিনি। তবে গতকালই লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ হয়েছে। মারা গিয়েছেন বহু মানুষ। তারপরে কলকাতাতেও নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়েছে। এই হাইভোল্টজ ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তায় যাতে কোনওরকম ফাঁকফোকর না থাকে, তা সুনিশ্চিত করা হচ্ছে।
ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের কালীঘাটে পুজো দেওয়ার জন্যও তাই কড়া নিরাপত্তা ছিল। তাঁর জন্য মন্দিরে থাকা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। গম্ভীরও বেশি সময় দাঁড়াননি। তিনি ১৫ মিনিট মন্দিরে ছিলেন। বেনজির নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে রাখা হয়েছিল গোটা মন্দির চত্বর। সেখানে কলকাতা পুলিশ আধিকারকরা তো ছিলেনই, কলকাতা পুলিশের তরফে আলাদা করে একটি ভ্য়ানও রাখা ছিল। এছাড়াও স্থানীয় থানার পুলিশও ছিল মন্দিরের আশেপাশে। লালকেল্লার এই বিস্ফোরণ নিয়ে অবশ্য রিপোর্টারদের আলাদা করে কিছু জানাননি গম্ভীর।
(Feed Source: abplive.com)
