
Red Guava: এই পেয়ারায় সবুজ পেয়ারার তুলনায় অনেক গুণ বেশি ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই ফলটি কেবল খেতে সুস্বাদু নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও আশীর্বাদ। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, অন্য দিকে, ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।
উত্তরপ্রদেশের কৃষকদের জন্য সুখবর। তাঁরা আর কেবল আম, কলা বা নিয়মিত পেয়ারা চাষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। প্রথমবারের মতো কানপুরের চন্দ্রশেখর আজাদ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (CSAU) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ একটি নতুন জাত মালয়েশিয়ান লাল পেয়ারা আবিষ্কার করেছে। দুই বছরের কঠোর পরিশ্রম এবং ক্রমাগত গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা রাজ্যের জলবায়ুর সঙ্গে সফলভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন। এখন এই জলবায়ুতে গাছটিতে ভাল ফল ধরছে, যা কৃষকদের জন্য একটি নতুন বিকল্প খুলে দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব কলেজের ডিন ড. ভি কে ত্রিপাঠী ব্যাখ্যা করেছেন যে, মালয়েশিয়ান লাল পেয়ারা সাধারণ পেয়ারার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং অনন্য। এর রঙ ভিতরে এবং বাইরে উভয় দিকেই উজ্জ্বল লাল, ডালিমের মতো। এর স্বাদও অত্যন্ত মিষ্টি এবং সুগন্ধযুক্ত। এটি কেবল আকর্ষণীয়ই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও খুবই উপকারী।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই ফলটি কেবল খেতে সুস্বাদু নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও আশীর্বাদ। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, অন্য দিকে, ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। মালয়েশিয়ান লাল পেয়ারা উত্তরপ্রদেশের কৃষকদের জন্য এক নতুন আশার আলো হয়ে উঠেছে। এটি কেবল তাঁদের আয় বৃদ্ধি করবে না বরং ভোক্তাদের একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু ফলও সরবরাহ করবে। ভবিষ্যতে এই পেয়ারা রাজ্যের নতুন পরিচয় হয়ে উঠতে পারে।
