জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পকিস্তানের হয়ে কাজ করছেন শিপইয়ার্ডেরই ২ কর্মী! পকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির দায়ে কর্ণাটকের উদুপি শিপইয়ার্ডের ২ কর্মীকে গ্রেফতার করল কর্ণাটক পুলিস। দেশের জন্য যেখানে নৌযান তৈরি হয় সেখানে এরকম পাক চরের উপস্থিতিতে শিপইয়ার্ডের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।
চরবৃত্তির অভিযোগে যে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা হল রোহিত ও সাঁন্থারি। এরা আদতে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। এরা কাজ করত মালপে কোচিন শিপইয়ার্ডে। তাদের ওখানে নিযোগ করেছিল সুষমা মেরিন প্রাইভেট লিমিটেড।
কর্ণাটক পুলিসের দাবি, ওই দুই যুবক গত ১৮ মাস ধরে শিপইয়ার্ডের গোপন তথ্য পাকিস্তানে সরবারহ করত। টাকা নিয়ে হোয়াটসঅ্য়াপের মাধ্যমে তারা ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য তৈরি হওয়া যুদ্ধ জাহাজের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাক হ্যান্ডেলারের হাতে তুলে দিত।
সন্দেহ হওয়ায় ওই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইও। তার পরই তাদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে কর্ণাটক পুলিস। তদন্তে উঠে এসেছে যেসব তথ্য় ওই দুই যুবক পাচার করেছে তাতে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।
সূত্রের খবর তদন্তকারীদের আশঙ্কা, ওই পাচারের পেছনে বড় কোনও চক্র কাজ করছে। অনুমান করা হচ্ছে ওই দুজনকে জেরা করতে পারে কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
উদুপির এসপি হরিরাম শঙ্কর বলেন, কেরালাতে কাজ করার সময়, রোহিত বেআইনি সুবিধার জন্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজের পরিচয় সংক্রান্ত গোপন তালিকার নম্বর এবং অন্যান্য তথ্য শেয়ার করেছিল। মালপে-এর কোচিন শিপইয়ার্ডে আসার পরেও সে কোচিতে থাকা তার বন্ধুর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা অব্যাহত রাখে এবং আবার হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একজন অননুমোদিত ব্যক্তিকে পাঠায়। এইভাবে, সে এমন কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল যা ভারতের নিরাপত্তা বিপন্ন করতে পারে এবং অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
(Feed Source: zeenews.com)
