
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আর একটি ২০০৪ সাল? এবার কাঁপুনি ধরল সিঙ্গাপুরে (Singapore)। ভয়াল ভূকম্প (deadly earthquake) অনুভূত হল সেখানে। কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৮ (A 4.8 magnitude earthquake)। উৎসস্থল ভারত মহাসাগরে (Indian Ocean) ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে বলে জানা গিয়েছে। বুধবার গভীর রাতে, ১টা ২৪ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। কতটা ক্ষয়ক্ষতি? এখনও পর্যন্ত এই ভূকম্পনের জেরে সেদেশে কতটা ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে, তা জানা যায়নি। সুনামি কি আসছে (Tsunami Alert)? না, প্রাথমিক ভাবে জারি হয়নি সুনামি-সতর্কতাও (no immediate reports of tsunami warnings)। কম্পনের উৎসস্থল থেকে দূরে হওয়ায় ভারতীয় উপকূলে (Indian coastline) প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
কাঁপল গ্রিসও
কাছাকাছি সময়ে গভীর রাতে কেঁপে উঠল গ্রিসও। সেখানেও কম্পনের মাত্রা ৪.৮! গ্রিসে ভূমিকম্প অনুভূত হয় রাত ২টো ৮ মিনিটে। মাটির নীচে, ৪৬ কিলোমিটার গভীরতা থেকে ছড়িয়ে পড়ে কম্পন। সেখানেও সুনামি সতর্কতা জারি হয়নি এখনও পর্যন্ত।
আর একটি ২০০৪ সাল?
গত ৯ নভেম্বরও ভারত মহাসাগরের তলদেশে ভূমিকম্প হয়েছিল। কম্পন অনুভূত হয় ইন্দোনেশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। গত দশকে আরও তীব্র ভূমিকম্প হয়েছে সেখানে। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বরের ভূমিকম্পের কথা কেউ ভোলেনি। সেবার উত্তর সুমাত্রার কাছে ৯.২ থেকে ৯.৩ তীব্রতায় ভূমিকম্প হয়, যার প্রকোপে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড এবং অন্য ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল মিলিয়ে ২ লক্ষ ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
দিকে দিকে ভূকম্প
কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশও। এক সপ্তাহ আগে গত শুক্রবার সকালে নরসিংদী এলাকার মাধবদিতে ৫.৭ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছিল। বলা হচ্ছে, গত ১০০ বছরের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় কম্পন সেখানে। ঢাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছিল। শিশু-সহ মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল এই ভূমিকম্পে। প্রচুর বাড়িঘর নষ্ট হয়েছে। বড় বড় ইমারত, রাস্তাঘাটে ফাটল ধরেছে। ঢাকার প্রশাসনিক কর্তারা জানিয়েছিলেন, কম্পন যদি আর ১০ সেকেন্ড স্থায়ী হত, বড় মাপের বিপর্যয় ঘটত।
আগুন রিং
এই গোটা অঞ্চলটাই আগুনের উপর বসে। আমরা যাকে চিনি রিং অফ ফায়ার। সেটাই। ইন্দোনেশিয়া বরাবরই ভূকম্প-প্রবণ। ইতিমধ্যেই ইন্দেনেশিয়া ভয়াল বন্যায় আক্রান্ত। সাইক্লোন সেনিয়ারের জেরে ঘটা বিপুল বৃষ্টিতে বিঘ্নিত এই এলাকা। আর এর মধ্যেই এই অবস্থা।
(Feed Source: zeenews.com)
