Jalpaiguri News: কথা দিয়ে কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী! চালু হয়ে গেল ঝাঁ চকচকে নতুন টানাটানি ব্রিজ, দেড় মাসের মধ্যে প্রতিশ্রুতি পূরণ সরকারের

Jalpaiguri News: কথা দিয়ে কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী! চালু হয়ে গেল ঝাঁ চকচকে নতুন টানাটানি ব্রিজ, দেড় মাসের মধ্যে প্রতিশ্রুতি পূরণ সরকারের

Jalpaiguri News: দৈনন্দিন কাজ, বাজার, স্বাস্থ্য পরিষেবা সবকিছুর জন্য এই ব্রিজই ছিল একমাত্র ভরসা। বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দেড় মাসের মধ্যে নতুন ব্রিজ তৈরি করে দেবেন। সেই কথাই রাখল রাজ্য সরকার।

টানাটানি ব্রিজ

জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দেঃ বন্যাবিধ্বস্ত গ্রাম পেল নয়া উপহার! কথা দিয়ে কথা রেখেছে রাজ্য সরকার। তাতেই আনন্দে ভাসছে গ্রামবাসী। গত ৫ অক্টোবরের অপ্রত্যাশিত ভয়াবহ বন্যায় ভেঙে গিয়েছিল নারগাকাটা থেকে বামনডাঙা চা বাগান এলাকার একমাত্র যোগাযোগের সেতু টানাটানি ব্রিজ। গাঠিয়া নদীর উপর দাঁড়িয়ে থাকা এই ব্রিজ ভেঙে পড়ায় বিপদে পড়েছিলেন বামনডাঙার প্রায় ৫০০ পরিবার। অধিকাংশই চা বাগানের শ্রমিক।

দৈনন্দিন কাজ, বাজার, স্বাস্থ্য পরিষেবা সবকিছুর জন্য এই সেতুই ছিল একমাত্র ভরসা। টানাটানি ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় নদী পেরনো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দেড় মাসের মধ্যে নতুন ব্রিজ তৈরি করে দেবেন। সেই কথাই রাখল রাজ্য সরকার।

জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় যুদ্ধকালীন গতিতে কাজ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ঝকঝকে নতুন টানাটানি ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে যাতায়াত। নতুন সেতু পেয়ে খুশিতে মুখর এলাকাবাসী। জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শামা পারভিন এই বিষয়ে জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দেওয়ার পর তাঁরই নির্দেশে জেলা প্রশাসন বিভিন্ন দফতরের সহযোগিতায় যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। এলাকার মানুষদের যাতে আর কোনও রকম অসুবিধার সম্মুখীন না হতে হয়, সেই কারণেই গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হয়েছে। এলাকাবাসীরা এতে খুশি।

চা শ্রমিকদের কথায়, “ব্রিজটা না থাকলে আমরা একেবারেই আটকে পড়তাম। মুখ্যমন্ত্রী কথা রেখেছেন, তাই আবার স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারছি।” এতদিন বর্ষায় খানিক বেশি বৃষ্টি হলেই কপালে ভাঁজ পড়ত এলাকাবাসীর। বিগত অক্টোবরে অপ্রত্যাশিত ভয়ানক বন্যায় সব তছনছ হয়ে যাওয়ায় চরম অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়েছিল স্থানীয়দের। এরপর অল্প বৃষ্টি হলেই কার্যত সিঁদুরে মেঘ দেখতেন তাঁরা। তবে এবার সব চিন্তার অবসান হল। এই নতুন ব্রিজ যেমন যোগাযোগ সহজ করেছে, তেমনই এলাকায় ফিরিয়ে এনেছে মানুষের নিরাপত্তা, স্বস্তি ও ভবিষ্যতের আশা।