
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বরফে ঢাকা পাহাড়ে ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল প্রেমিকই? তীব্র ঠাণ্ডার প্রাণ গেল মহিলার। বছর তেত্রিশের ওই মহিলার নাম কার্স্টিন গুর্টনার। তাঁকে শনাক্ত করল স্থানীয় প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে অস্ট্রিয়ায়।
জানা গিয়েছে, জার্মানি সীমান্ত লাগোয়া অস্ট্রিয়ার সলসবার্গের শহরের বাসিন্দা ছিলেন গুর্টনার। পাহাড় ভালোবাসতেন। সোশ্য়াল মিডিয়ায় নিজেকে ‘উইন্টার চাইল্ড’ এবং ‘মাউন্টেন পার্সন’ হিসেবে পরিচয় দিতেন তিনি। গুর্টনারের প্রেমিক থমাস প্লামবার্গার একজন অভিজ্ঞ পর্বতারোহী। গত বছরের জানুয়ারি মাসে দু’জনে একসঙ্গেই অস্ট্রিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ গ্রসগ্লকনার আরোহণ করতে যান। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের থেকে কমপক্ষে দু’ঘন্টা পর অভিযান শুরু করেন তাঁরা। ফলে যে সময়ে শৃঙ্কে ওঠার কথা, সেই সময়ে থেকে পিছিয়ে ছিলেন তিনি।
এদিকে গ্রসগ্লকনার পাহাড়ে তাপমাত্রা তখন মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। যাত্রাপথে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে হয় গুর্টনার ও তাঁর প্রেমিক প্লামবার্গারকে। শেষে শৃঙ্গ থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে অসুস্থ হয়ে পড়েন গুর্টনার। হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে যান তিনি। অভিযোগ, গভীর রাতে সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় প্রেমিকাকে ফেলে নিচে নামতে যান প্লামবার্গার। এমনকী, উদ্ধারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নাকি দেরি করেছেন!
প্লামবার্গার কাছে কিন্তু পাহাড়ে ব্যবহারের উপযোগী কম্বল বা বেভাক স্যাক ছিল। পর্বতারোহীদের দাবি, কম্বল বা বেভাক স্যাক ব্যবহার করে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া যেত, কিন্তু তা করেননি। প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার কারণে রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারেননি। সকালে গিয়ে গুর্টনার নিথর দেহ উদ্ধার করে তাঁরা।
(Feed Source: zeenews.com)
