Smriti Mandhana : ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের তারকা ব্যাটার ও সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মন্ধানা রবিবার, ৭ ডিসেম্বর পলাশ মুচ্ছলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে ভেঙে দেন। ২৩ নভেম্বর তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
কলকাতা : ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের তারকা ব্যাটার ও সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মন্ধানা রবিবার, ৭ ডিসেম্বর পলাশ মুচ্ছলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে ভেঙে দেন। ২৩ নভেম্বর তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্মৃতির বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় অনুষ্ঠান স্থগিত করতে হয়। এর পর পলাশকে কেন্দ্র করে নানা খবর সামনে আসে। শেষ পর্যন্ত দু’জনের বিয়েও ভেঙে যায়।
এটাই প্রথম নয়। এর আগেও ভারতের এক মহিলা খেলোয়াড়ের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এভাবে ভেঙে যায়। ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা–রও এনগেজমেন্ট হওয়ার পর বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল।
সানিয়া পরে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে বিয়ে করেন। কিন্তু তার আগে তিনি অন্য একজনের সঙ্গে বাগদান সেরেছিলেন। তবে সেই বাগদান বিয়ের পর্ব পর্যন্ত গড়ায়নি। খুব কম মানুষ জানেন, সানিয়া মির্জা ২০০৯ সালে বাগদান সারেন। কিন্তু মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়।
বাগদানের কয়েক মাস পরই সানিয়া এবং সোহারাব মির্জা বুঝতে পারেন, তাঁরা একে অপরের জন্য উপযুক্ত নন। সেই কারণেই দু’পক্ষের সম্মতিতে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সোহারাব মির্জা হায়দরাবাদের বিখ্যাত বেকারি চেইন ইউনিভার্সাল বেকার্স–এর মালিক আদিল মির্জার ছেলে। সানিয়া ও সোহারাব একে অপরের অচেনা ছিলেন না—স্কুলজীবন থেকেই তাঁরা পরস্পরকে চিনতেন।
১০ জুলাই ২০০৯-এ একটি প্রাইভেট অনুষ্ঠানে পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে দু’জনের বাগদান সম্পন্ন হয়। সোহারাব মির্জা হায়দরাবাদের সেন্ট মেরি কলেজ থেকে কমার্সে গ্র্যাজুয়েশন করেছিলেন। সানিয়া মির্জাও সেখানে পড়াশোনা করেছিলেন। দু’জনের বয়সে মাত্র এক বছরের পার্থক্য ছিল। সোহারাব মির্জা টেনিস তারকা সানিয়ার থেকে বড় ছিলেন। শৈশব থেকেই তাঁরা একে অপরকে চিনতেন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই সময়ে সোহারাব জানিয়েছিলেন, শুরু থেকেই তাঁদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। তাঁদের পরিবার তিন প্রজন্ম ধরে একে অপরের বন্ধু এবং তাঁরা ছয় বছর বয়স থেকে একে অপরকে চিনতেন। কিন্তু বাগদানের পর তাঁদের মনে হয়েছিল, তাঁরা একে অপরের জন্য উপযুক্ত নন।
(Feed Source: news18.com)