Folk Festival: ঢেঁকিতে কোটা চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি পিঠেপুলির গন্ধে মাতোয়ারা গ্রাম,পুরুলিয়ার ঘরে ঘরে উদযাপিত কৃষি পার্বণ ‘অঘন সাঁকরাত’

Folk Festival: ঢেঁকিতে কোটা চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি পিঠেপুলির গন্ধে মাতোয়ারা গ্রাম,পুরুলিয়ার ঘরে ঘরে উদযাপিত কৃষি পার্বণ ‘অঘন সাঁকরাত’

Folk Festival: ঢেঁকিতে চাল কোটা হয় সেই গুঁড়ো করা চাল দিয়ে নানা রকমের পিঠে তৈরি করা হয়। পৌষ পার্বণের পূর্বেই পিঠে-পুলি উৎসবের মাতে প্রতিটি গ্রাম।

অঘন সাঁকরাত উৎসব জঙ্গলমহলে

আড়ষা, পুরুলিয়া, শর্মিষ্ঠা বন্দ্যোপাধ্যায়: গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকউৎসবগুলির মধ্যে অন্যতম হল ‘অঘন সাঁকরাত’। যা পালিত হয় অঘ্রাণ মাসের সংক্রান্তির দিন। এটি জঙ্গলমহলের প্রাচীন একটি উৎসব। এইদিন নতুন ধান ঘরে তোলার রীতি প্রচলিত রয়েছে প্রতিটি গ্রামে। পৌষ পার্বণের আগেই জঙ্গলমহলের প্রায় প্রতিটি গ্রামই উৎসবের চেহারা নেয় এই সময়। নতুন চালের পিঠে তৈরি হয় প্রতিটি ঘরে ঘরে।

আগে এই সময়ই নতুন ধান ঘরে তুলতেন চাষিরা। কিন্তু বর্তমানে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পৌষ পার্বণের পূর্বেই নতুন ধান ঘরে তোলেন চাষিরা। কিন্তু ঐতিহ্য ও নিয়ম রক্ষার্থে অঘ্রাণ মাসের সংক্রান্তিতে অঘন সাঁকরাত পালন করা হয়। এইদিন পিঠেপুলির উৎসব হয় পুরুলিয়ার প্রায় সব গ্রামেই‌। ঢেঁকিতে চাল কোটা হয় সেই গুঁড়ো করা চাল দিয়ে নানা রকমের পিঠে তৈরি করা হয়। পৌষ পার্বণের পূর্বেই পিঠে-পুলি উৎসবের মাতে প্রতিটি গ্রাম।

এ বিষয়ে আড়ষার চিতিডি গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, আগে এই সময় ধান কেটে তাঁরা ঘরে তুলতেন। কিন্তু বর্তমানে নতুন ধান চাষ করার কারণে এখন আর তারা অঘ্রাণ মাসে সংক্রান্তিতে নতুন ধান কেটে ঘরে তোলেন না। কিন্তু পূর্বপুরুষদের আমল থেকে চলে আসা নিয়ম অনুসারে অঘ্রাণ মাসের এইদিনে তারা অঘন সাঁকরাত পালন করেন। ‌লক্ষ্মী দেবীকে সম্মান জানাতে এই উৎসব করা হয়।